জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আজ

ছবি: আগামীর সময়
২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরের নির্বাচিত ১৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এবার ৪ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৫টি আসনের বিপরীতে প্রায় ৪ লাখ ৫৩ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। সে হিসাবে প্রতি আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গড়ে দুজন পরীক্ষার্থী। দেশের ৮৮০টি কলেজে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারেননি, তাদের প্রাথমিক আবেদন ফরম, এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং এসএমএসে পাওয়া রোল নম্বরসহ নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।
তবে আবেদন ফরমের ছবির সঙ্গে উপস্থিতির ছবির অমিল থাকলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এ ছাড়া যেসব আবেদন সংশ্লিষ্ট কলেজ থেকে নিশ্চয়িত হয়নি, তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।
এমসিকিউ পদ্ধতিতে হবে ভর্তি পরীক্ষা। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১ ঘণ্টায়। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাবেন শিক্ষার্থীরা। বিজ্ঞান শাখা, মানবিক/গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় বাংলায় ২০, ইংরেজিতে ২০, সাধারণ জ্ঞানে ২০ এবং প্রতিটি শাখার জন্য আলাদাভাবে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ৪০ নম্বরসহ মোট ১০০ নম্বরে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে। ভর্তি পরীক্ষার পাস নম্বর ৩৫।
বিজ্ঞান, মানবিক/গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং ব্যবসায় শিক্ষায় এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএর ৪০ শতাংশ (চতুর্থ বিষয়সহ) ৪০ নম্বর, এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএর ৬০ শতাংশ (চতুর্থ বিষয়সহ) ৬০ নম্বরসহ মোট ২০০ (১০০+৪০+৬০) নম্বরে মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনাগুলো মেনে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে বলা হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এগুলো হলো- ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে এফোর সাইজের অফসেট কাগজে প্রিন্ট করতে হবে। প্রবেশপত্রের প্রিন্ট কপিতে পরীক্ষার্থীকে স্বাক্ষর করতে হবে।
অনলাইনে আবেদন করার সময় আপলোডকৃত ছবি চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। ওই ছবিতে কোনো প্রকার টেম্পারিং করা হলে ওই পরীক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩ (তিন) দিন আগেই প্রবেশপত্রে উল্লিখিত পরীক্ষাকেন্দ্রে সরাসরি গিয়ে বা সংশ্লিষ্ট কলেজ কেন্দ্রের ওয়েবসাইট থেকে আসনবিন্যাস জেনে নিতে হবে।
পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই কলেজ কেন্দ্র কর্তৃক নির্ধারিত কক্ষের নির্দিষ্ট আসনে পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষা আরম্ভ হওয়ার ন্যূনতম ০১ (এক) ঘণ্টা পূর্বে পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। পরীক্ষা আরম্ভ হওয়ার পরে কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
প্রবেশপত্র, হাজিরা এবং ওএমআর শিটে পরীক্ষার্থীর অভিন্ন স্বাক্ষর থাকতে হবে। উত্তরপত্রে কালো কালির বল পয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে। কোনোক্রমেই পেনসিল ব্যবহার করা যাবে না। ভর্তি পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্র এবং এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে।
পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর অথবা যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিকস ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষাকক্ষে প্রধান পরিদর্শক/কর্তব্যরত শিক্ষকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। পরীক্ষার উত্তরপত্রে কোনো প্রকার সাংকেতিক চিহ্ন বা মোবাইল নম্বর লেখা হলে ওই উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।



