১১ কোম্পানির ইপিএস ঘোষণা, অধিকাংশের উত্থান

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১১টি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফার (ইপিএস) তথ্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৫ শতাংশ কোম্পানির ব্যবসায় উত্থান হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) কোম্পানিগুলোর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে ডিএসইর ওয়েবসাইটে।
প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৭টির ৯ মাসের (জুলাই ২০২৬–মার্চ ২০২৬) এবং ৪টির ৩ মাসের (জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬) ব্যবসায়িক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ঘোষিত ইপিএস অনুযায়ী, ১১টি কোম্পানির মধ্যে ৬টির বা ৫৪ দশমিক ৫৫ শতাংশের মুনাফা বেড়েছে। এর মধ্যে একটি কোম্পানি লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে।
এ ছাড়া মুনাফা কমেছে ৩টি বা ২৭.২৭ শতাংশ কোম্পানির। এর মধ্যে একটি কোম্পানি মুনাফা থেকে লোকসানে নেমেছে। বাকি দুই কোম্পানির বা ১৮.১৮ শতাংশের লোকসান বেড়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায় উত্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে শীর্ষে ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড। ডিসেম্বর ক্লোজিং এ মিউচুয়াল ফান্ডটির চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ ২০২৬) ইউনিটপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.২৭ টাকা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ইউনিটপ্রতি ০.০২ টাকা লোকসান ছিল। সে হিসাবে মুনাফা বেড়েছে ১৪৫০ শতাংশ।
নিম্নে ১১টি কোম্পানির ইপিএস এর তথ্য তুলে ধরা হলো—
|
কোম্পানির নাম | ৯ মাসের ইপিএস (জুলাই ২৫-মার্চ ২৬) |
৯ মাসের ইপিএস (জুলাই ২৪-মার্চ ২৫) |
হ্রাস/বৃদ্ধির হার |
|
*ভ্যানগার্ড রূপালী ফান্ড |
০.২৭ |
(০.০২) |
১৪৫০% |
|
কে অ্যান্ড কিউ |
৯.৮৯ |
৩.৬৯ |
১৬৮% |
|
*পিপলস ইন্স্যুরেন্স |
১.২৯ |
০.৬৩ |
১০৫% |
|
বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল |
১০.৫৭ |
৬.৮৩ |
৫৫% |
|
*সিটি ইন্স্যুরেন্স |
১.১০ |
০.৯০ |
২২% |
|
হাক্কানি পাল্প |
০.৩১ |
০.২৮ |
১১% |
|
শমরিতা হসপিটাল |
০.৭৭ |
০.৯০ |
(১৪%) |
|
আনলিমা ইয়ার্ন |
(২.৮১) |
(২.৩৬) |
(১৯%) |
|
ন্যাশনাল পলিমার |
০.২৫ |
০.৭১ |
(৬৫%) |
|
*হাইডেলবার্গ সিমেন্ট |
(০.৮৮) |
৩.৪৮ |
(১২৫%) |
|
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার |
(৭.৬২) |
(১.০৯) |
(৫৯৯%) |
* প্রথম প্রান্তিকের বা ৩ মাসের ইপিএস।
কোম্পানিগুলোর মধ্যে ব্যবসায় সবচেয়ে খারাপ ফলাফল হয়েছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশনের। এ কোম্পানিটির আগের অর্থবছরের ৯ মাসের শেয়ারপ্রতি ১.০৯ টাকার লোকসান চলতি বছরের একই সময়ে বেড়ে হয়েছে ৭.৬২ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে ৬.৫৩ টাকা বা ৫৯৯ শতাংশ।
ব্যবসায় এই মন্দার বিষয়ে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন ডিএসইকে জানিয়েছে, গত ৯ মাসে নিট লোকসান বেড়েছে মূলত নতুন এলসি খোলার ক্ষেত্রে সৃষ্ট সীমাবদ্ধতায়। এ ছাড়া উচ্চমাত্রার স্থায়ী কারখানা ওভারহেড ব্যয় এবং তুলনামূলকভাবে অপরিবর্তিত প্রশাসনিক ও বিতরণ ব্যয়, যা আয়ের হ্রাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কমানো সম্ভব হয়নি, যা লোকসানের মাত্রা বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে সুদের হার বৃদ্ধির কারণে গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি সুদজনিত ব্যয় হয়েছে।



