বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
আগামীর সময়
মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
আগামীর সময়
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • ইপেপার
EN
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিশ্ব
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • চট্টগ্রাম
  • শিক্ষা
  • বিচিত্রা
  • ইপেপার
  • EN

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলীগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় করপোরেট কর্নার

তালগাছ লাগানো হলো রাস্তায়, অথচ মানুষ মরছে মাঠে

শোয়েব সাম্য সিদ্দিকপ্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৪২
তালগাছ লাগানো হলো রাস্তায়, অথচ মানুষ মরছে মাঠে

সংগৃহীত ছবি

গত সপ্তাহে অফিসের কাজে চরাঞ্চলে ফিল্ডে গিয়েছিলাম। রাস্তায় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলো। আকাশ কালো হয়ে গেল মিনিটের মধ্যে। পাশে একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলাম। দোকানদার জানালেন, সেদিন সকালে পাশের গ্রামে একজন কৃষক বজ্রাঘাতে মারা গেছেন। ধান কাটছিলেন। ঘরে ফেরার সময় হয়নি। এই একটা ঘটনাই আমার চোখে পুরো বিষয়টা নতুনভাবে খুলে দিল।

এ বছরের ২৬ এপ্রিল এক দিনেই দেশের সাত জেলায় ১৪ জন মানুষ বজ্রাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন। ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে লাবনী আক্তার গৃহপালিত গরুর জন্য ঘাস কাটতে বেরিয়েছিলেন। ফেরার পথে ঝড় শুরু হলে বজ্রাঘাতে তার মৃত্যু হয়। একই উপজেলার কৃষক ইলিয়াস হোসেন মাঠে ফসল দেখতে গিয়ে আর বাড়িতে ফিরতে পারেননি। দুটি মৃত্যু, দুটি পরিবার, একই গল্প। এই গল্পটা প্রতি বছর বৈশাখে নতুন নাম নিয়ে ফিরে আসে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৫৮। ২০২০ সালে এক বছরেই মারা গেছে ৪২৭ জন। এরপর থেকে সংখ্যাটা কমতে শুরু করে। ২০২১ সালে ৩৬৩, ২০২২ সালে ৩৩৭, ২০২৩ সালে ৩২২, ২০২৪ সালে ২৭১ এবং ২০২৫ সালে এসে দাঁড়ায় ১৭৩। সংখ্যাটা কমছে ঠিকই, কিন্তু এই বছরের এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেই কয়েক দিনে ২৪ জনের মৃত্যু দেখিয়ে দিচ্ছে পরিস্থিতি আসলে কতটা স্থিতিশীল হয়েছে সেটা বলা কঠিন।

তাহলে মৃত্যু কমছে কেন? এর স্পষ্ট কোনো উত্তর নেই। বজ্রপাতের সংখ্যা কমেছে এমন প্রমাণ নেই। মানুষ সচেতন হয়েছে সেটাও পুরোপুরি বলা যায় না। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, পরিসংখ্যানের ওঠানামার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। কিন্তু যেটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তা নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকার কোনো সুযোগ এখনো নেই। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, গত ৪০ বছরে বাংলাদেশের তাপমাত্রা শূন্য দশমিক ৭ ডিগ্রি বেড়েছে। এক ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বজ্রপাত বাড়ে ২০ শতাংশ হারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের এই হিসাবটা মাথায় রাখলে আপাত স্বস্তির সংখ্যাটা আসলে ততটা স্বস্তিদায়ক নয়।
ঋতুভিত্তিক তথ্যও ভাবাচ্ছে। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বজ্রঝড়ের প্রবণতা বেশি থাকলেও ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নেয় বৈশাখ মাস, অর্থাৎ এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

ইতিহাস বলছে, বড় বড় মৃত্যুর দিনগুলো ঘুরেফিরে বছরের এই একই সময়ে ফিরে আসছে। ২০২১ সালের ৬ জুন ৩৭ জন, ২০২৪ সালের ৪ জুন ২৯ জন, এ বছরের ২৮ এপ্রিল ২২ জন। বাংলাদেশের বজ্রপাত একটি মৌসুমি নিয়মিত ট্র্যাজেডি হয়ে উঠেছে।

এবারে দেখা যাক কারা মারা যাচ্ছেন। ২০২৫ সালে বজ্রপাতে নিহত মানুষের মধ্যে ১১০ জনই কৃষক। এরপর শিক্ষার্থী ৩৮, গৃহিণী ২৫, দিনমজুর ২২, জেলে ১৮। এই তালিকাটা দেখলে একটা প্যাটার্ন পরিষ্কার হয়ে যায়। যারা বাইরে কাজ করেন, যারা খোলা মাঠে বা নদীতে থাকেন, যারা ঝড় এলেও সরে যেতে পারেন না, কারণ তখন সরে গেলে সংসার চলবে না, তারাই মারা যাচ্ছেন।

অর্থাৎ বজ্রপাত একটা সামাজিক প্রশ্নও বটে। বাংলাদেশে বজ্রপাত ক্রমশ একটি শ্রেণিভিত্তিক দুর্যোগে পরিণত হচ্ছে। শহরের মানুষ এই মৃত্যুর তালিকায় নেই বললেই চলে। কারণ তাদের চারদিকে কংক্রিটের আশ্রয় আছে। আমরা দেখতে পাই, বজ্রপাতে যারা মারা যাচ্ছেন তারা খুব দরিদ্র মানুষ। তাদের নিয়ে তাই মাথাব্যথা কম। যখন এক দিনে বেশি মানুষ মারা যান তখন গণমাধ্যমের টনক নড়ে, সরকারের নানা দপ্তর সজাগ হয়। কিন্তু এ মৃত্যু রুখতে আগাম ও সুদূরপ্রসারী তৎপরতা নেই।

ভৌগোলিক দিক থেকেও একটা অসমতা স্পষ্ট। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, সুনামগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় এবং জেলার ভেতরে জামালগঞ্জ উপজেলাকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও আশপাশের হাওরসংলগ্ন এলাকায় ঝুঁকি অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেঘালয় পাহাড়ঘেরা ভৌগোলিক অবস্থান, আর্দ্র বায়ুপ্রবাহ, উষ্ণতা এবং বিস্তীর্ণ জলাভূমি সব মিলিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চল বজ্রপাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। উত্তর-পূর্ব জেলাগুলিতে এপ্রিল ও মে মাসে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত ঘটে এবং এই ঘটনাগুলো সবচেয়ে বেশি ঘটে সকালে বা সন্ধ্যায়, যখন কৃষক মাঠে যায়, কাজ করে বা কাজ শেষে বাড়িতে আসে। এই সময়টাই কৃষকের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক, কারণ এপ্রিল-মে মাসেই হাওরে ধান কাটার মৌসুম।

সরকার বিষয়টিকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছিল ২০১৬ সালে। এরপর আসে তালগাছ রোপণের পরিকল্পনা। সারা দেশে ৪০ লাখ তালগাছ লাগানোর কথা ছিল। যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, লম্বা তালগাছ বজ্র টেনে নেবে এবং মাঠের মানুষ বাঁচবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হলো কী? সুনামগঞ্জে ২০১৮ সালে সরকারিভাবে ৪০ হাজার তালগাছ রোপণ করা হয়েছিল। কিন্তু এখন এসব তালগাছের কোনো অস্তিত্ব নেই। রোপণের পর আর কোনো পরিচর্যা করা হয়নি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেন যে, ৩৮ লাখ তালগাছ লাগানোর পর দেখা গেল যত্নের অভাবে সেগুলো মারা যাচ্ছে, তাই প্রকল্পটি বাতিল করা হয়। শত কোটি টাকার একটি উদ্যোগের কোনো জবাবদিহি নেই!

তালগাছের পরে আসে বজ্রনিরোধক দণ্ডের পালা। ২০২২ সালে সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৮টি বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু এগুলো স্থাপনের পর আর কেউ খোঁজ নেয়নি। এখন যন্ত্রগুলো সচল আছে কি না, কেউ জানে না। আবহাওয়া অধিদপ্তর ২০১৮ সালে বজ্রপাতের আগাম সংকেত দিতে ৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে আটটি জায়গায় লাইটনিং ডিটেকশন সেন্সর বসিয়েছিল, যা এখন কাজে লাগছে না। আর এখন নতুন পরিকল্পনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ১ হাজার ৩২১ কোটি টাকার প্রকল্পে বজ্রনিরোধক দণ্ড বসাতে চাইছে। তালগাছ ব্যর্থ হলো, দণ্ড কাজ করল না, এখন আরও বড় প্রকল্প। এই চক্রটা দেখলে প্রশ্ন জাগে, ব্যয়ের পরিমাণ বাড়লেও ফলাফলের জবাবদিহি কোথায়?

আমার মতে, আসল সমস্যা হলো আমরা বজ্রপাতকে এখনো একটি নিয়মিত দুর্যোগ হিসেবে দেখছি না। বন্যা হলে ত্রাণ যায়, সাইক্লোনের পর পুনর্বাসন হয়। কিন্তু বজ্রপাতে বছরে দুই-তিনশো মানুষ মরলেও তেমন কোনো কাঠামোগত পদক্ষেপ চোখে পড়ে না। এটা একটা ধারাবাহিক গাফিলতি।

প্রশ্ন হলো, এই মৃত্যু কমানো কি আদৌ সম্ভব? হ্যাঁ, সম্ভব। এবং খুব বেশি কঠিনও নয়। প্রযুক্তিগতভাবে বজ্রপাতের আধঘণ্টা আগে পূর্বাভাস দেওয়া এখন সম্ভব। সেই তথ্য কৃষকের সাধারণ মোবাইলে এসএমএস হিসেবে পাঠানো যায়। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বিজ্ঞানভিত্তিক পূর্বাভাসকে কমিউনিটিকেন্দ্রিক আগাম সতর্কতায় রূপ দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে। এই ব্যবস্থা অনেক দেশেই চালু আছে। আমাদের দেশে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে কিন্তু ব্যাপকভাবে চালু হয়নি।

হাওর ও বিলাঞ্চলে মাঠের কাছাকাছি ছোট আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা দরকার। একটি টিনের ঘরও যথেষ্ট যদি সেটা সঠিক জায়গায় থাকে। প্রতি কিলোমিটার অন্তর এমন একটি কাঠামো থাকলে কৃষক ঝড় দেখলে সেখানে আশ্রয় নিতে পারতেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা, উচ্চ প্রযুক্তির পূর্বাভাস ব্যবস্থা এবং বজ্রপাত নিরোধকযুক্ত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র একসঙ্গে কাজ করলেই বজ্রপাতে মৃত্যু উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

পাশাপাশি শহরে ও বাসাবাড়িতে ছাদে বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করা জরুরি। আকাশে বিদ্যুৎ চমকালে ফ্রিজ, টিভি ও ডিশের সংযোগ তার খুলে রাখলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। এই সহজ সতর্কতাগুলো মানুষ জানলেও অনেকে মেনে চলেন না।

এর বাইরে গ্রামাঞ্চলে একটি সমস্যা বেড়ে চলেছে। বিভিন্ন জায়গায় স্থাপিত বজ্রনিরোধক পিলার চুরি হয়ে যাচ্ছে। এই পিলারগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ না হলে স্থাপনার উদ্দেশ্যই মাঠে মারা যাবে। স্থানীয় প্রশাসনের এদিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি।

স্কুলপর্যায়ে বজ্রপাতকালীন করণীয় শেখানো দরকার। এটি পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা মোটেও কঠিন নয়। একটি ভুল ধারণাও ভাঙানো দরকার। অনেকে মনে করেন বজ্রাহত মানুষকে স্পর্শ করলে নিজেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হবেন, যা সম্পূর্ণ ভুল। বজ্রাহত ব্যক্তিকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়া গেলে বহু ক্ষেত্রেই বাঁচানো সম্ভব।

এই প্রসঙ্গে আরেকটি কুসংস্কারের কথা না বললেই নয়। গ্রামাঞ্চলে অনেকে বিশ্বাস করেন, বজ্রপাতে মৃত মানুষের দেহে চুম্বকশক্তি তৈরি হয়। এই বিশ্বাস থেকে কবর খুঁড়ে লাশ চুরির ঘটনাও ঘটেছে। বিজ্ঞান এই দাবির কোনো ভিত্তি স্বীকার করে না। কিন্তু কুসংস্কারটি টিকে আছে এবং মানুষের ক্ষতি করছে। এই ধরনের ভ্রান্ত বিশ্বাস দূর করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম নেওয়া প্রয়োজন।

সবচেয়ে জরুরি হলো, মাঠপর্যায়ের মানুষকে কেন্দ্রে রেখে পরিকল্পনা করা। হাওরের কৃষক জানেন না সকালে মাঠে নামলে বিকালে ঘরে ফিরতে পারবেন কি না। এই অনিশ্চয়তাটা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কমানো সম্ভব, কিন্তু সেটার জন্য দরকার কোটি টাকার প্রকল্পের চেয়ে বেশি সদিচ্ছা এবং ধারাবাহিক তদারকি।

প্রতি বছর বৈশাখ আসে, বজ্রপাতে মানুষ মরে, সংখ্যাটা পত্রিকায় ছাপা হয় এবং তারপর সবকিছু আগের মতোই চলতে থাকে। এই চক্রটা ভাঙতে হবে। কৃষকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। সেই দায়িত্বটুকু পালনে আর দেরি করা ঠিক হবে না।

লেখক: প্রাবন্ধিক ও বিশ্লেষক

ইমেইল: shammo4n@gmail.com

তালগাছ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    শাকিব-আদনানের ‘জয়ধ্বনি’, ২৪ ঘণ্টায় দেড় কোটি

    শাকিব-আদনানের ‘জয়ধ্বনি’, ২৪ ঘণ্টায় দেড় কোটি

    ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৫৪

    রাজধানীর নিউমার্কেটে ফিল্মি স্টাইলে গুলি

    রাজধানীর নিউমার্কেটে ফিল্মি স্টাইলে গুলি

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:৪৮

    সুদ বেশি সময় কম কঠিন শর্ত

    সুদ বেশি সময় কম কঠিন শর্ত

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২৪

    কোনো পদক্ষেপ নিলে রণক্ষেত্রে কঠিন জবাব পাবে শত্রুপক্ষ

    কোনো পদক্ষেপ নিলে রণক্ষেত্রে কঠিন জবাব পাবে শত্রুপক্ষ

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:১৪

    আওয়ামী লীগ আমলে বিদ্যুৎ খাতে হয়েছে লাগামহীন দুর্নীতি

    আওয়ামী লীগ আমলে বিদ্যুৎ খাতে হয়েছে লাগামহীন দুর্নীতি

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪২

    ঢাকার রাজপথে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা

    ঢাকার রাজপথে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২৭

    সিরিজটা বাংলাদেশের হোক চট্টগ্রামেই

    সিরিজটা বাংলাদেশের হোক চট্টগ্রামেই

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৪৩

    না কাটলে ডুবছে, কাটলে পচছে

    না কাটলে ডুবছে, কাটলে পচছে

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৯

    মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

    মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১২

    তদন্তে মিলল লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত

    তদন্তে মিলল লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৫

    কৃষির যান্ত্রিকীকরণে সহযোগিতা করতে চায় বেলারুশ

    কৃষির যান্ত্রিকীকরণে সহযোগিতা করতে চায় বেলারুশ

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:২২

    ‘ক্ষমতাধর’ ক্যাডারে পিছিয়ে নারীরা

    ‘ক্ষমতাধর’ ক্যাডারে পিছিয়ে নারীরা

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৫১

    চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

    চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯

    আ. লীগের পতনে নির্বাচনী লড়াইয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

    আ. লীগের পতনে নির্বাচনী লড়াইয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৯

    ব্রিটিশ রাজদম্পতির সফর ঘিরে হোয়াইট হাউজে জমকালো আয়োজন

    ব্রিটিশ রাজদম্পতির সফর ঘিরে হোয়াইট হাউজে জমকালো আয়োজন

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৫৪

    advertiseadvertise