আইএসডির অ্যালামনাই সামিটে উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়

সংগৃহীত ছবি
ঢাকায় ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা আয়োজিত ‘আইএসডি অ্যালামনাই এন্টারপ্রেনারিয়াল সামিট ২০২৬’-এ দেশে ও বিদেশে সফল ছয়জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের জন্য অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
‘ফ্রম আইএসডি টু ইন্ডাস্ট্রি লেসনস ফ্রম দ্য এন্টারপ্রেনারিয়াল ফ্রন্টলাইন’ শীর্ষক এ আয়োজনে ব্যবসা গড়ে তোলার বাস্তব অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইএসডির করপোরেট রিলেশনস রিপ্রেজেন্টেটিভ ফারেস্তা আলী মালিক।
আলোচনায় অংশ নেন স্টার্জন ক্যাপিটালের ভেঞ্চার পার্টনার ও রাহিমোটো এক্সপ্রেসের প্রধান নির্বাহী ওয়াইজ রহিম, আমলিন স্কিন ও ইনডারফুলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নামিত কবির, আমলিন স্কিন ও ল্যাটিটিউড টুয়েন্টিথ্রি ইনকরপোরেটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মেহরান কবির, বেয়ার অ্যান্ড ব্লুম বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা আলিশা লাবিবা রহমান, এমেরাল্ড ইভেন্টসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মারিহা কাদের চৌধুরী এবং আর্ডামান অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার নাফিস জলিল।
আলোচনায় উঠে আসে, ছোটবেলার আগ্রহ কীভাবে পরে পেশাগত জীবনে প্রভাব ফেলে। মারিহা কাদের চৌধুরী উল্লেখ করেন, আইএসডিতে পড়াকালীন বিভিন্ন আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা পরে তার পেশা নির্বাচনে ভূমিকা রেখেছে। তার ভাষ্য, পছন্দের কাজকে ক্যারিয়ারে রূপ দেওয়া তুলনামূলক সহজ।
কাজের প্রতি ভালোবাসার গুরুত্ব তুলে ধরে মেহরান কবির উল্লেখ করেন, আগ্রহ ও উদ্যম ছাড়া কোনো কাজে সফল হওয়া কঠিন। নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা না থাকলে দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না।
ব্যর্থতা ও মানসিক দৃঢ়তা প্রসঙ্গে ওয়াইজ রহিম বলেন, পছন্দের কাজের সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিগত পরিচয় জড়িয়ে থাকে। সেই কাজ ব্যর্থ হলে মানসিক চাপ তৈরি হয়, তবে কঠিন সময় অতিক্রম করে আবার এগিয়ে যাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
আলোচনায় নেটওয়ার্কিং, টেকসই পণ্য উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা উল্লেখ করেন, এটি চিন্তার বিকল্প নয়; বরং কাজকে সহজ করার একটি কার্যকর মাধ্যম।
আইএসডির ডিরেক্টর স্টিভ ক্যাল্যান্ড-স্কোবল জানান, প্রতিষ্ঠানের ৭০০-এর বেশি প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিশ্বের ১৫টি দেশে ছড়িয়ে আছেন। তাদের অভিজ্ঞতা বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য মূল্যবান।
প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংযোগ জোরদার করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসডি।



