পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজার তালিকায় চায় বিএসইসি

দেশের বৃহৎ পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকার ও বাজার সংশ্লিষ্টদের সহায়ক ভূমিকা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
আজ রবিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে পুঁজিবাজার অংশীজনদের ষষ্ঠ মাসিক সমন্বয় সভায় এ কথা বলেছেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।
‘মার্জিন বিধিমালা, ২০২৫; মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা, ২০২৫ ও পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ রুলস, ২০২৫- এ তিনটি রুলসের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের আইনি সংস্কারের বড় অংশ সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই করপোরেট গভর্ন্যান্স সংক্রান্ত বিধিমালাও করা হবে’—জানালেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন— বিএসইসির কমিশনার মোহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ, মো. সাইফুদ্দিন এবং পুঁজিবাজার অংশীজন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা।
এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম।
সভায় আলোচনা হয়েছে পুঁজিবাজার উন্নয়নের উদ্যোগ ও কার্যক্রমসমূহ, দেশের পুঁজিবাজারকে ফ্রন্টিয়ার মার্কেট হতে ইমার্জিং মার্কেটে রূপান্তরে উদ্যোগ, পুঁজিবাজারে ই-কেওয়াইসি বাস্তবায়নে পরিকল্পনা মাফিক উদ্যোগ, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুকরণ, পুঁজিবাজারের প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানির জন্য সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণকরত পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তকরণ, পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতকরণ, সিসিবিএলের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্নকরণ ও সিসিবিএলের সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে।
এছাড়াও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়— বিনিয়োগ শিক্ষার প্রসার ও বিকাশ, পুঁজিবাজারে নতুন পণ্য আনয়ন ও পণ্য বৈচিত্রায়ন, পুঁজিবাজারে সব ধরনের কারসাজি ও অনিয়ম প্রতিরোধ, ইনভেস্টর প্রটেকশন ফান্ডের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ, অসংশোধনযোগ্য ব্যাক অফিস সফটওয়্যারের বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণ, প্রাইস সেনসেটিভ ইনফরমেশনের (পিএসআই) যথার্থতা নিশ্চিতকরণ, নেগেটিভ ইকুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের সমাধান, বিনিয়োগ শিক্ষার প্রসার এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ বিষয়েও।
সমন্বয় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেদের (সিসিবিএল) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. ওয়াহিদ-উজ-জামান, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুর রহমান মজুমদার, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নূরুল হুদা, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল মোতালেব, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আ স ম খায়রুজ্জামান, আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পিএলসির সিইও মো. আল আমিন তালুকদার, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাফিজ আল তারিক, ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত চিফ রেগুলেটরি অফিসার (সিআরও) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ভূইয়া, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) মো. আবিদ হোসেন খান, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) স্বতন্ত্র পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, সিডিবিএলের সিএফও মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ একাডেমি ফর সিকিউরিটিজ মার্কেটসের (বিএএসএম) ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কামরুল আনাম খান, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালকরা।



