চাঁদপুর
‘বিদ্যুৎ না থাকায় পড়তে পারছি না’

সংগৃহীত ছবি
‘বিদ্যুৎ না থাকায় পড়তে পারছি না ঠিকমতো। একে তো রাতে ঘুম হয় না গরমে, আবার দিনে পড়তে বসলেও কাজ করে না মাথা। পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ না থাকলে লিখতেও হবে সমস্যা।’
তীব্র লোডশেডিংয়ের বাজে অভিজ্ঞতা এভাবেই জানাচ্ছিল এসএসসি পরীক্ষার্থী রুনা আক্তার। তার মতো দুর্ভোগে পড়েছে চাঁদপুরের ৩০ হাজারের বেশি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, জেলা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল, প্রতিদিনই ঘটে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার বিদ্যুৎ বিভ্রাট। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে রাতের পড়াশোনা। তীব্র গরমে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় দিনের বেলায়ও থেকে যায় ক্লান্তি ও অবসাদ। থাকছে না পড়াশোনায় মনোযোগ। আশঙ্কা অনেকের, পরিস্থিতি এমন থাকলে পরীক্ষার ফলে পড়বে নেতিবাচক প্রভাব।
এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুল হক সর্দার। ‘পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা জরুরি। বিদ্যুৎ চলে গেলে সমস্যায় পড়বেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ই। বিঘ্নিত হবে পরীক্ষার পরিবেশ।’
তবে আশ্বস্ত করেছেন মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো. মুকবুল হোসেন। ‘বেশ কিছু কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে আইপিএসসহ বিকল্প বিদ্যুৎব্যবস্থার উদ্যোগ।’
এ বিষয়ে নিজেদের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করেছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল্লাহ। ‘সব কেন্দ্রে জেনারেটর সরবরাহ করতে সক্ষম নই আমরা। কিছু কেন্দ্রে রয়েছে আইপিএসের ব্যবস্থা। বাকিগুলোতে প্রয়োজনে রাখা হবে মোমবাতির মতো বিকল্প আলো।’
এ বছর চাঁদপুরের ৭৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থী।

