ধর্ষণের ঘটনা ‘ফাঁসের শঙ্কায়’ শিশু সৈকতকে হত্যা

সংগৃহীত ছবি
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় ৭ বছর বয়সের এক শিশুকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
নিহত শিশুটির নাম সৈকত ইসলাম। এই হত্যার ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে।
নিহত সৈকত ইসলাম নরসিংহপুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা রঞ্জু মিয়ার ছেলে।
গত ৫ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে খেলার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় সৈকত। এরপর থেকেই তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
পরদিন বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে স্থানীয় হাজী হাশেম স্পিনিং মিলের পাশের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহের মাথায় ইট দিয়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পাশাপাশি শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে আঘাতের আলামতও লক্ষ্য করা গেছে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই সজিব মিয়া বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় হত্যামামলা দায়ের করেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে।
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা শামীম হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করি আমরা। তদন্ত শুরুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদঘাটন করা হয়।
এই হত্যা মামলায় নরসিংহপুর এলাকা থেকে জীবন মিয়া (১৫) নামের এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক কিশোর হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে। সে জানায়, সে প্রথমে শিশু সৈকতকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে।
পরে বিষয়টি সৈকতের পরিবারের মধ্যে জানাজানি হবে সেই ভয়ে ঘটনাস্থলেই ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক কিশোর জীবন মিয়ার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।



