‘কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভাঙল ঘর’

ছবি: আগামীর সময়
হঠাৎ ঝড়ে তছনছ ঘর। খোলা আকাশের নিচে দিশেহারা বসে মমতা বিশ্বাস। ভেবে পাচ্ছেন না, সামাল দেবেন কীভাবে। তার দেখা মিলল পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সলিমপুর গ্রামে।
‘হঠাৎ করেই ঝড় শুরু হয়, কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘর ভেঙে পড়ে। এখন পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটছে’- শঙ্কায় মমতা।
তিনি বলছিলেন গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আঘাত হানা কালবৈশাখীর কথা। ঝড়ে এদিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নবাবগঞ্জ ও সলিমপুর গ্রামের অর্ধশতাধিক বাড়ি, ভেঙে পড়েছে অন্তত পাঁচটি। এসব বাড়িতে বসবাস নিম্নআয়ের পরিবারের।
স্থানীয়রা জানালেন, দুপুরে আচমকা শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া। কিছুক্ষণের মধ্যে আঘাত হানে কালবৈশাখী ঝড়। সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে নবাবগঞ্জ গ্রামের মন্নান বয়াতি, মরিয়ম ও মাধবের বাড়ি। সলিমপুর গ্রামের নির্মল বিশ্বাস ও বিমল বিশ্বাসের বাড়িও তছনছ। ঝড়ে উপজেলা শ শ গাছপালা উপড়ে গিয়ে কিছু পড়েছে রাস্তায়, কিছু বসতঘরে।
উপজেলার লতাচাপলী, মহিপুর, ধুলাসার ও মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়ও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। নিম্নআয়ের পরিবারগুলো পড়েছে চরম দুর্ভোগে।
আর্থিক সহায়তা দিতে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে- জানিয়েছেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ।



