Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
জৌলুশ ছেড়ে গ্রামের স্কুলে নায়লা
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

পাশাপাশি জ্বলল চারটি চিতা

স্বপন চৌধুরী, রংপুর
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০০:৫১
পাশাপাশি জ্বলল চারটি চিতা

পাশাপাশি চারটি চিতায় দাহ করা হয় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি পরিবারের। ছবি: আগামীর সময়

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২) শিকার হয়েছেন হত্যাকাণ্ডের। একই পরিবারের চার সদস্যকে নিজ বাড়িতে হত্যার পর রবিবার রাতে রংপুর নগরীর দখিগঞ্জ মহাশ্মশানে সম্পন্ন হয়েছে তাদের শেষকৃত্য। পাশাপাশি চারটি চিতায় দাহ করা হয় তাদের।

রবিবার রাত ৮টার দিকে আনুষ্ঠানিকতা শেষে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চারটি মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাত ৯টার দিকে মরদেহগুলো দখিগঞ্জ মহাশ্মশানে নেওয়া হয়। সেখানে চারজনকে স্নান করিয়ে নতুন কাপড় পরানো হয়। এরপর পরপর চারটি চিতায় তাদের মরদেহ তোলা হয়। মুখাগ্নি করেন স্বজনরাই। রাত ১১টার দিকে শেষ হয় দাহকার্য।

চারজনকে চিতায় তোলার সময় স্বজনদের কান্নায় সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। পরিবারের বাইরের লোকজনও এ সময় চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। চিতায় আগুন দেওয়ার সময় স্বজনরা নিহতদের নাম ধরে বিলাপ করছিলেন। কিছুক্ষণ পর শ্মশানে নেমে আসে নীরবতা। চারদিকে শুধু জ্বলতে থাকা চিতার আগুনের কুণ্ডলী দেখা যায়।

আরও পড়ুন

ডাকাতি করতে এসেই কি রংপুরে ৪ জনকে খুন

২৩ আগস্ট ২০২৬

দাহকার্যের সঙ্গে যুক্ত একজন বলেন, তার জীবনে এ ধরনের দৃশ্য কখনো দেখেননি। একই পরিবারের চারজনকে একসঙ্গে দাহ করা খুবই কষ্টের। দাহকাজ শেষে চিতায় পানি দিয়ে চারজনের অস্থি নিয়ে যান স্বজনরা। পরে আগুন পুরোপুরি নেভাতে শ্মশানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের পাইপ দিয়ে ফের পানি দিতে দেখা যায়।

নিহত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বলেন, ‘ভালো মানুষটার ছেলে-মেয়ে নিয়ে কতইনা স্বপ্ন ছিল। নিমিষেই সব শেষ হয়ে গেল। খুনিরা পরিবারটির কাউকেই বাঁচতে দিল না। পাশাপাশি চারটি চিতা দাউ দাউ করে জ্বললেও আমার চোখে ঘোর অমানিশা কাটছে না।’

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকে পরিবারের সঙ্গে স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। স্বজনদের কাছ থেকে খবর পেয়ে শনিবার রাতে বাড়িতে গিয়ে চারটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রবিবার দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) ও বিনয় চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)। রবিবার ভোরে তাদের আটক করা হয়। পরে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের হলে ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পুলিশ কমিশনারের দাবি, ‘মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস পাশের একটি ভবনের ওপর দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে প্রবেশ করেন। সেখানে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে একে একে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেকে।’ জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলেও জানান তিনি।

রংপুরঅবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকচার খুন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    নিউ ইয়র্কে নিখোঁজ বাংলাদেশি খোকনকে নিয়ে তোলপাড়

    নিউ ইয়র্কে নিখোঁজ বাংলাদেশি খোকনকে নিয়ে তোলপাড়

    শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির বলি হয়েছিল আবরার ফাহাদ : আব্দুল কাদের

    শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির বলি হয়েছিল আবরার ফাহাদ : আব্দুল কাদের

    বন্ধক রাখা জমি তৃতীয় পক্ষকে দখল দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

    বন্ধক রাখা জমি তৃতীয় পক্ষকে দখল দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

    পুলিশের সোর্স থেকে মাদক কারবারে, পিচ্চি রাজার উত্থান যেভাবে

    পুলিশের সোর্স থেকে মাদক কারবারে, পিচ্চি রাজার উত্থান যেভাবে