আগামীর সময়ে সিএমপি কমিশনার : শেখার ও শুধরে নেওয়ার সুযোগ থাকে

ছবি: আগামীর সময়
আগামীর সময়ের চট্টগ্রাম অফিস ঘুরে গেলেন সদ্য যোগ দেওয়া চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সংবাদকর্মীদের সঙ্গে। জানিয়েছেন, নেগেটিভ নিউজকে তিনি নেগেটিভলি দেখেন না, বরং এতে নিজেদের সংশোধন করার বার্তা খুঁজে পান।
আজ সোমবার বিকালে নগরীর আসকারদিঘীর পাড়ের এস এস খালেদ রোডের কর্ণফুলী টাওয়ারে চ্যানেল ওয়ানের পুনঃসম্প্রচার শুরুর আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন সিএমপি কমিশনার। অনুষ্ঠান শেষে দেখতে এলেন আগামীর সময়ের যাত্রা শুরুর আয়োজন।
যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল বাহার তাকে স্বাগত জানান এবং পুরো অফিস ঘুরে দেখান। অফিস দেখে মুগ্ধতা জানিয়ে আগামীর সময়ের সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মিটিং টেবিলে বসেন সিএমপি কমিশনার। পরিচিতি পর্বের পর আগামীদিনের সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের নিয়ে প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে নেগেটিভলি দেখেন না উল্লেখ করে সিএমপি কমিশনার জানান, অনেকে মনে করেন আমাদের সম্পর্কে কোনো নিউজ হওয়া মানেই সেটি নেতিবাচক। কিন্তু আমি বিষয়টিকে সেভাবে দেখি না। প্রতিটি সংবাদের ভেতরেই আমার জন্য কোনো না কোনো বার্তা থাকে। সেখানে ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ থাকে, শেখারও সুযোগ থাকে। সংবাদের নির্যাসটুকু নিয়ে আমরা আমাদের কাজ আরও উন্নত করার চেষ্টা করি।’
সামাজিক মাধ্যমের নেতিবাচক মন্তব্য দেখেও বিচলিত হন না তিনি। ‘ফেসবুকে কোনো অভিযোগ বা মন্তব্য দেখলে সেটির স্ক্রিনশট নিয়ে কর্মকর্তাদের দিয়ে যাচাই করতে বলি। জনগণের সরাসরি প্রতিক্রিয়া পাওয়ার এটি একটি বড় মাধ্যম।’
সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন শওকত আলী। ‘আপনারা সাধারণ মানুষের জন্য এবং প্রশাসনের সহায়তায় মাঠপর্যায়ে কাজ করেন। অনেক তথ্য আমাদের অজানা থেকে যায়। সাংবাদিকরাই খুঁজে বের করেন। আমি যদি সেই তথ্যগুলো ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করি, তাহলে সেটি সমাজের জন্যই মঙ্গলজনক হবে।’
গণমাধ্যমকে প্রশাসনের ‘অন্যতম চালিকাশক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে শওকত আলী বলছিলেন, ‘পুলিশ ও সাংবাদিকরা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে নগরবাসীকে আরও উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব।’
সিএমপি কমিশনারের সঙ্গে এসেছিলেন চ্যানেল ওয়ানের ব্যুরো প্রধান শাহনেওয়াজ রিটন ও একাত্তর টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান সাইফুল ইসলাম শিল্পী।



