Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের চিকিৎসার খরচ জুগিয়ে নিঃস্ব ইয়াকুব
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

বিদেশে সাজ্জাদ অস্থির চট্টগ্রাম

রমেন দাশগুপ্ত, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:৪৩
বিদেশে সাজ্জাদ অস্থির চট্টগ্রাম

গ্রাফিকস: আগামীর সময়


দৃশ্যপট: এক

২০২৫ সালের ২৯ মার্চ গভীর রাত। একটি প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এগিয়ে আসছে পাঁচ মোটরসাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা। কারের ভেতর থেকেও ছোড়া হচ্ছে পাল্টা গুলি। এ যেন সিনেমার কোনো দৃশ্য। চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোডে দুই কিলোমিটার ধরে গোলাগুলির মহড়ার পর ঝাঁজরা হয়ে যাওয়া কারে পড়ে থাকে দুই যুবকের লাশ। প্রাণে বেঁচে যান কারের সামনের সিটে থাকা সরোয়ার হোসেন বাবলা।

দৃশ্যপট: দুই

২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর বিকাল। নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার হাজীপাড়া এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ। অতর্কিতে একদল সন্ত্রাসী ভেতরে ঢুকে গোলাগুলি শুরু করে। এরশাদ উল্লাহ পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। সঙ্গে থাকা একজনের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে ‘বীরদর্পে’ চলে যায়  সন্ত্রাসীরা। নিহত সেই একজন হলেন সাত মাস আগে বাকলিয়ায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া বাবলা।

‘অপ্রতিরোধ্য’ সেই সন্ত্রাসীরা বিদেশে পলাতক দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ বাহিনীর সদস্য। বাবলাও একসময় এই বাহিনীর সদস্য ছিলেন। আর সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়াই কাল হয়েছিল তার। ঠিক একই কারণে ২০২৫ সালের ২৩ মে প্রাণ দিতে হয়েছিল আকবর আলী ওরফে ঢাকাইয়া আকবরকেও।

গত দুই বছরে সাজ্জাদ বাহিনীর হাতে ঘটেছে কমপক্ষে এক ডজন টার্গেট কিলিং। আন্ডারওয়ার্ল্ডের বিরোধ, আধিপত্যের দ্বন্দ্ব, চাঁদাবাজি, বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পুরো চট্টগ্রামকে অস্থির করে রেখেছে বাহিনীর সদস্যরা। গত ২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর চন্দনপুরায় সাবেক সংসদ সদস্য ও স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমানের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। এ ঘটনার আগে মুজিবুর রহমানকে কল করে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে বড় সাজ্জাদের বিরুদ্ধে।

সবশেষ গত শনিবার দুপুরে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এ হত্যাকাণ্ডও সাজ্জাদ বাহিনী ঘটিয়েছে বলে নিশ্চিত করলেন রাউজান সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। যদিও সাজ্জাদ আগামীর সময়কে সরাসরি জানিয়েছেন, বিএনপি-জামায়াতের কাউকে হত্যার নির্দেশ তিনি দেন না।

এত খুনোখুনি ঘটলেও বড় সাজ্জাদের অনুসারী ছোট সাজ্জাদসহ এই বাহিনীর মাত্র পাঁচ-ছয়জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছে। আর বিভিন্ন কাজের নেতৃত্বদাতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। নগর পুলিশের এক কর্মকর্তা বললেন, ‘বড় সাজ্জাদ বাহিনীর বিরুদ্ধে সোর্স কোনো তথ্য দিতে চায় না। পুলিশকে দেওয়া তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। এতে খুন যেমন হয়েছে, অনেকে পঙ্গুও হয়েছে বাহিনীর ক্যাডারদের হাতে। এরপর সন্ত্রাসীরা বিদেশি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্যবহার করে। পুলিশের প্রযুক্তিগত অত সক্ষমতা নেই।’

তবে সাজ্জাদ বাহিনীর কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদের। তিনি বললেন, ‘রায়হান ও ইমন ছাড়া সাজ্জাদ বাহিনীর বেপরোয়া যারা ছিল তাদের আমরা গ্রেপ্তার করেছি। সেকেন্ড ইন কমান্ড ছোট সাজ্জাদ গ্রেপ্তার হয়েছে। বড় সাজ্জাদ আউট অব কান্ট্রি। সেখানে বসে অনলাইনে আর স্যাটেলাইটে হুমকি-ধমকি দেয়।’

বড় সাজ্জাদের সঙ্গে গত ১৫ ও ১৭ মে দুই দফায় কথা হয় আগামীর সময়ের। তিনি বললেন, ‘এসব কোনোকিছুর সঙ্গে আমি জড়িত নই। কমিশনার লিয়াকত হত্যা ও এইট মার্ডার মামলা থেকে আমি খালাস পেয়েছি। এখন আপনারা আমাকে খুনি বলতে পারবেন না। আওয়ামী লীগের নেতা স্মার্ট গ্রুপের মালিক মুজিবুর রহমানের ফ্যাক্টরিতে বিস্ফোরণে হতাহত ৩০টি পরিবারকে আমি নিজে চালাই। সে কথা তো কখনো আপনারা লেখেন না।’

সাজ্জাদ গ্রুপের শীর্ষ ক্যাডার মোবারক হোসেন ইমন। তিনি বললেন, ‘সাজ্জাদ ভাই ভারতে থাকেন। তার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। আমরা নিজেরা ব্যবসা-বাণিজ্য করি। কোনো চাঁদাবাজি বা খুনোখুনিতে জড়িত নই। এগুলো একরাম ও তার স্ত্রী সূচি, সরোয়ার বাবলার ভাই আজিজ ঘটিয়ে আমাদের নাম ছড়ায়।’

বড় সাজ্জাদ নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী এলাকার আব্দুল গণি কনট্রাক্টরের ছেলে। বনেদি পরিবারের মেধাবী সন্তান সাজ্জাদ নব্বই দশকে অপরাধজগতে জড়ান। ওয়ার্ড ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও ‘শিবির ক্যাডার’ পরিচয়ে পুলিশের তালিকায় নাম ওঠে। ১৯৯৯ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর লিয়াকত আলী খানকে গুলি করে হত্যা ও ২০০০ সালে ছয় ছাত্রলীগ নেতাসহ ‘এইট মার্ডারের’ ঘটনায় আসে তার নাম। ২০০০ সালের ১ অক্টোবর চট্টগ্রামে প্রথম একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার হয় সাজ্জাদের কাছ থেকে। র‌্যাবের ‘ক্রসফায়ারের যুগে’ ২০০৪ সালে জামিনে বেরিয়ে বিদেশে পালান।

‘বিদেশ পলাতক’ সাজ্জাদের প্রকৃত অবস্থান কোথায়, তার নির্দিষ্ট তথ্য নেই পুলিশের কাছেও। ২০১২ সালে তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিস জারি হলেও ফিরিয়ে আনার কোনো উদ্যোগও নেই। কয়েক পুলিশ কর্মকর্তার তথ্য, ২০০৪ সালে সাজ্জাদ প্রথমে দুবাই যান। সেখান থেকে এসে বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। ভারতীয় এক নারীকে বিয়ে করেছেন। আছে দুই যমজসহ তিন সন্তান। বড়টি মেয়ে। বয়স ১২ বছর।

ভারতে জীবনযাপনের ব্যয় বহনে বাংলাদেশে অপরাধজগৎ থেকে হাতিয়ে নেওয়া টাকা পাঠানো হয় হুন্ডির মাধ্যমে, ধারণা পুলিশের।

সাজ্জাদ বাহিনীকে নিয়ে নগর পুলিশের কাছে যেটুকু তথ্য আছে, জেলা পুলিশ ততটাই অন্ধকারে। জানতে চাইলে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছেন, ‘এই বাহিনীর (বড় সাজ্জাদ) বিষয়ে আমি খোঁজখবর নিয়েছি। ভেতরে ভেতরে আমরা কাজ করছি। তাদের রুট কোথায়, সেটা বোঝার চেষ্টা করছি। আশা করছি অচিরেই একটা রেজাল্ট আপনাদের জানাতে পারব।’

নগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশে গিয়ে এক দশক নানা জটিলতা পার করে ২০১৫ সালে দেশে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সদস্যদের আবার সংগঠিত করেন সাজ্জাদ। তার বাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন সরোয়ার বাবলা, ঢাকাইয়া আকবর ও ম্যাক্সন। ২০২২ সালে ভারতে গিয়ে ম্যাক্সন মারা যান। এরপর সরোয়ার ও আকবর গ্রুপ থেকে বেরিয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। তখন সাজ্জাদ বাহিনীর হাল ধরেন দেশে থাকা সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ। তার বাড়ি হাটহাজারী উপজেলায়। বছর দুয়েক সাজ্জাদের নির্দেশে নগরীর বায়েজিদ এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন, গার্মেন্টস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি করত। এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বেপরোয়া হয়ে ওঠে সাজ্জাদ বাহিনী।

সিএমপির পরিদর্শক পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘পটপরিবর্তনের পর সরোয়ার বাবলা ও ঢাকাইয়া আকবরকে আবারও গ্রুপে ফিরে আসার প্রস্তাব দেন বড় সাজ্জাদ। কিন্তু বাবলা ও আকবর ততদিনে একজন প্রভাবশালী নেতার শেল্টারে চলে যান। তারা নিজেরাই আলাদা গ্রুপ গড়ে তোলেন। এ নিয়ে বিরোধে ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট অনন্যা আবাসিক এলাকায় দুই যুবককে গুলি করে হত্যা করে বড় সাজ্জাদের অনুসারী রায়হান গ্রুপ।’

আধিপত্য বিস্তারে বড় সাজ্জাদ তার বাহিনীকে তিনটি জোনে ভাগ করে তিনজনকে নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেন। রাউজান থেকে বোয়ালখালী পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীর বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব রায়হান ও তার ২০ ক্যাডারের। শহরে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করেন বোরহান। তার দলে আছে বেলাল, হাসান, নাঈম, সোহাগ ও সাজ্জাদের বন্ধু সরওয়ার। ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও চট্টগ্রাম শহরে চাঁদা আদায়ের দায়িত্বে মোবারক হোসেন ইমন। এই গ্রুপে আছে ৩০ জনের মতো। আর ছোট সাজ্জাদ ও বড় সাজ্জাদের এক চাচাতো ভাই মিলে টিমের সমন্বয় করতেন।

রায়হান গ্রুপ সীমান্তের পাহাড়ি এলাকা থেকে প্রচুর ভারী অস্ত্র মজুদ করেছে। আওয়ামী লীগ আমলে কর্ণফুলীর বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ ছিল বোয়ালখালীর পাপ্পি এবং তার ভাই ববি ও হাসানের। রায়হান তিনজনকেই দেশছাড়া করেছেন। শাহ আমানত ব্রিজ এলাকায় একজন প্রভাবশালীর নিয়ন্ত্রণে থাকা বালুমহাল দেখাশোনা করতেন সরোয়ার বাবলা। তাকেও খুন করে পথের কাঁটা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বোরহান ও তার অনুসারীরা দুটি পোশাকশিল্প গ্রুপের ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। মোবারক হোসেন ইমন চাঁদার দাবিতে হুমকি-ধমকি দেন। এতে কাজ না হলে বড় সাজ্জাদ ফোন করেন। ইমন টাকা আদায় করে পৌঁছে দেন সাজ্জাদের ভাতিজা মোহাম্মদের কাছে— জানালেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

রাউজানে দুই বছর ধরে যেসব খুনোখুনি হয়েছে, তার পেছনেও বড় সাজ্জাদের হাত রয়েছে— এমন অভিযোগ অনেকের। রাউজান থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বললেন, ‘রাউজানে বর্তমানে তিনটি সন্ত্রাসী গ্রুপ। বড় সাজ্জাদের রায়হান গ্রুপ, আলম গ্রুপ ও ফজল হক গ্রুপ। তাদের মধ্যে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে অন্তত ১১টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রায়হান গ্রুপ কিংবা অন্যরা কয়টির সঙ্গে জড়িত, সেটি মামলার তদন্ত শেষে বলা যাবে।’

 

চট্টগ্রামবিদেশসাজ্জাদশীর্ষ সন্ত্রাসী
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৬ জুন ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    বেলজিয়াম
    ১
    মিসর
    ১
    ১৬ জুন ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    সৌদি আরব
    ১
    উরুগুয়ে
    ১
    ১৬ জুন ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    ইরান
    ২
    নিউজিল্যান্ড
    ২
    মানুষের চিকিৎসার খরচ জুগিয়ে নিঃস্ব ইয়াকুব

    মানুষের চিকিৎসার খরচ জুগিয়ে নিঃস্ব ইয়াকুব

    ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:১২

    সরিষাবাড়ীতে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রজাপতি পার্ক

    সরিষাবাড়ীতে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রজাপতি পার্ক

    ১৬ জুন ২০২৬, ০০:১৮

    সাংবাদিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

    সাংবাদিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

    ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:১২

    বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭

    কামরাঙ্গীরচরে ছুরি মেরে দোকান কর্মচারীকে হত্যা

    কামরাঙ্গীরচরে ছুরি মেরে দোকান কর্মচারীকে হত্যা

    ১৬ জুন ২০২৬, ০০:৩০

    সৌদির বাধায় আটকালো উরুগুয়ে

    সৌদির বাধায় আটকালো উরুগুয়ে

    ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪

    সীমান্ত সম্মেলন নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি : বিজিবি

    সীমান্ত সম্মেলন নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি : বিজিবি

    ১৬ জুন ২০২৬, ০০:৪০

    যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহত

    যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহত

    ১৬ জুন ২০২৬, ০০:৪২

    যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প, ভ্যান্স ও গালিবাফ

    যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প, ভ্যান্স ও গালিবাফ

    ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:১১

    বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল দিলেন জাইমা রহমান

    বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল দিলেন জাইমা রহমান

    ১৬ জুন ২০২৬, ০১:০৮

    চাঁদা না দেওয়ায় হামলা, ভিডিও ভাইরাল

    চাঁদা না দেওয়ায় হামলা, ভিডিও ভাইরাল

    ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:২৬

    কেপ ভার্দের কাছে স্পেনের অসহায় আত্মসমর্পণ

    কেপ ভার্দের কাছে স্পেনের অসহায় আত্মসমর্পণ

    ১৬ জুন ২০২৬, ০১:০৭

    শুধু সন্দেহে নয়, কারণ দেখিয়ে গ্রেপ্তার

    শুধু সন্দেহে নয়, কারণ দেখিয়ে গ্রেপ্তার

    ১৬ জুন ২০২৬, ০০:৫৭

    ভাড়া বাসাকে স্থায়ী ঠিকানা দেখানোয় চাকরি গেল আবিদের

    ভাড়া বাসাকে স্থায়ী ঠিকানা দেখানোয় চাকরি গেল আবিদের

    ১৬ জুন ২০২৬, ১৭:৩৩

    টঙ্গীতে ১০ হাজার ইয়াবা নিয়ে আটক ২

    টঙ্গীতে ১০ হাজার ইয়াবা নিয়ে আটক ২

    ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪০

    advertiseadvertise