চসিক মেয়র
কমবে ৭০-৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা

সংগৃহীত ছবি
‘সব সেবা সংস্থা একসঙ্গে কাজ করায় গত বছর জলাবদ্ধতা কমেছে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ। সমন্বিতভাবে কাজ করলে এটি কমানো সম্ভব ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাস সিটি করপোরেশন সম্মেলন কক্ষে করা হয় জলাবদ্ধতা নিরসনে সেবা সংস্থাগুলোর এক সমন্বয় সভা। এ সভায় এমন আশ্বাস দিচ্ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পের অধীনে ৫ নম্বর খালে স্লুইসগেট নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে নির্দেশ দিচ্ছেলেন তিনি। এর জন্য দক্ষিণ হালিশহর, বন্দরটিলা ও নয়ারহাট এলাকায় জলাবদ্ধতাও হয়’— যোগ করেন মেয়র। নাগরিক নিরাপত্তায় বসানো হচ্ছে স্ল্যাব ও ম্যানহোলের ঢাকনা। এ ছাড়া ফুটপাতে বসা হকারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানাচ্ছিলেন ডা. শাহাদাত। ‘কোনো নাগরিক যেন দুর্ঘটনার শিকার না হন, তা নিশ্চিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বড় নালা ও খালের পাশে যেখানে সুরক্ষা দেয়াল নেই, সেখানে তৈরি করতে হবে অস্থায়ী নিরাপত্তা বেষ্টনী।’
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়নাধীন মূল প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে ৯৫ শতাংশ। প্রকল্পটির আওতায় চলছে ৩৬ খালের সংস্কার। জামালখান খাল ও হিজড়া খালের কাজও শেষপর্যায়ে। খালের প্রতিরোধ-বাঁধ সরানো হবে ১৫ মের মধ্যে।
সভায় আরও জানানো হয়, জলাবদ্ধতা নিরসনে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকার চারটি প্রকল্প করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। এমনকি মূল প্রকল্পের বাইরে থাকা ২১টি খাল ও ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার নালা পরিষ্কার করবে সিটি করপোরেশন। এ কাজের জন্য সরকারের বরাদ্দ ৪৫ কোটি টাকা।
এ সমন্বয় সভায় ছিলেন সিডিএর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম, সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আমিন, সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, সিডিএর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহসিনুল হক, সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম ও পিডিবির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী একেএম মামুনুল বাশরিসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।



