কিমের সঙ্গে বৈঠকের ঘোষণা ট্রাম্পের

ছবি: রয়টার্স
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করার পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বুধবার এমনটাই জানিয়ে দাবি করেছেন, দেশটির কাছে রয়েছে ৫৭টি ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ পারমাণবিক অস্ত্র।
ট্রাম্প পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া সংক্ষিপ্ত করার নির্দেশ দেওয়ার পর তার এই মন্তব্য এলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রবিবার তিনি লিখেছিলেন, এসব মহড়া পিয়ংইয়ংয়ের প্রতি ‘সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত ও শত্রুতামূলক’ বার্তা পাঠাচ্ছে। তার ভাষায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে উত্তর কোরিয়া ‘হুমকিমূলক নয় এবং সম্মানজনক’ আচরণ করে আসছে।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কিম তাকে ‘মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত মার্কিন বৃদ্ধ’ বলে অভিহিত করেছিলেন এবং হুমকি দিয়েছিলেন যে তার ডেস্কে একটি ‘পারমাণবিক বোতাম’ রয়েছে। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে মুখোমুখি বৈঠকের পর দুই নেতার সম্পর্ক শীতল হয়ে যায়। এসব বৈঠকের মধ্যে দুই কোরিয়ার সীমান্তের অসামরিকীকৃত অঞ্চলে (ডিএমজেড) একটি সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎও ছিল। এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার ভূখণ্ডে পা রাখা প্রথম ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হন।
ট্রাম্প বললেন, ‘আমি তার সঙ্গে ভালোভাবে মিশি—এটা ভালো বিষয়, খারাপ নয়। তার কাছে ৫৭টি অত্যন্ত শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। তাদের কখনোই এগুলো রাখতে দেওয়া উচিত ছিল না। আমি প্রেসিডেন্ট থাকলে তা হতে দিতাম না। কিন্তু তার কাছে এগুলো রয়েছে।’
বছরের পর বছর উত্তর কোরিয়ার কাছে কতগুলো পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন হিসাব পাওয়া গেছে। জুনে স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট অনুমান করে, উত্তর কোরিয়া ‘সম্ভবত প্রায় ৬০টি ওয়ারহেড তৈরি করেছে এবং আরও অন্তত ৩০টি তৈরির মতো পর্যাপ্ত ফিসাইল উপাদান তাদের কাছে রয়েছে।’







