খামেনির সঙ্গে সাক্ষাত হলে সম্মানিত বোধ করবেন ট্রাম্প

সংগৃহীত ছবি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সম্ভাব্য সাক্ষাৎ নিয়ে ইতিবাচক অবস্থান ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রসঙ্গ টেনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আমি দেখা করতে চাই না, কিন্তু যদি দেখা করি, তাহলে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করব।’ তিনি যোগ করেছেন, ‘তবে যদি আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাই, তাহলে তার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হতে পারে। এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি সম্মানজনক আচরণই করব।’
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে ট্রাম্পের দাবি, ‘আমরা চাইলে এখনই সেটা নিতে পারি। আমার মনে হয় না, আমরা চাইলে তারা আমাদের থামাতে পারবে। কিন্তু এর কোনো প্রয়োজন নেই।’ তিনি আরও মন্তব্য করেছেন, ওই ইউরেনিয়াম এমনভাবে সংরক্ষিত রয়েছে, যা কার্যত সিল করা অবস্থায় আছে এবং এর ওপর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ক্যামেরা।
মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু লেবাননের পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। ‘লেবাননে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে সেটি খুবই ভালো হবে।’ তার ভাষ্য, ‘বহু বছর ধরে হামলার শিকার হয়েছে লেবানন এবং সবসময়ই ছিল দুর্বল অবস্থানে। এই পরিস্থিতির অবসান হলে সত্যিই ভালো হবে।’
এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং হিজবুল্লাহর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে যুদ্ধ অবসানে আলোচনায় থাকা সমঝোতা স্মারকের খসড়ায় এখনও কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ী।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধ অবসানে আলোচনাধীন সমঝোতা স্মারকের বর্তমান খসড়ায় এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলোর ব্যাখ্যা এখনও স্পষ্ট নয় এবং সেগুলো নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।
রেজায়ী আরও দাবি করেছেন, ইরানকে নিজের শর্ত মেনে নিতে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন ট্রাম্প, তবে শর্তগুলোকে অস্পষ্ট অবস্থায় রাখতে আগ্রহী তারা। তার মতে, চূড়ান্ত সমঝোতার আগেই এসব বিষয়ে আনতে হবে স্পষ্টতা।




