Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
মনিরুলের ‘মানবতার দুয়ার’
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

ওয়াশিংটনের হাওয়া বদলালে ঢাকার কী

ড. মো. আবু নাসের, ক্যালিফোর্নিয়া
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৫
শেয়ার করুন:
ওয়াশিংটনের হাওয়া বদলালে ঢাকার কী

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

আমাদের এখানে একটা পুরনো কথা চালু আছে, যে মেঘ গর্জে সে বর্ষে না। এবার মার্কিন মুলুকে মেঘ গর্জেছিল মৃদুই; কিন্তু যা বর্ষাল তাকে বৃষ্টি বলা চলে না, বন্যা বলাই ঠিক। প্রশ্ন হচ্ছে, ওয়াশিংটনে আকাশ ভেঙে পড়লে ঢাকায় ছাতা খোলার দরকার কী? কথাটা আমরা কখনো ঠাট্টা করে বলি, কখনো গম্ভীর মুখে। এবার  মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল দেখে প্রশ্নটা আর ঠাট্টা থাকছে না। সেখানে যে ঝড় উঠেছে, তার একটা দমকা এ দেশের কূটনীতি, বাণিজ্য আর প্রতিরক্ষার জানালায়ও এসে লাগবে।

নির্বাচনের আগে প্রায় সব জনমত জরিপ আর পূর্বাভাস মডেল বলছিল, ডেমোক্র্যাটরা জিতবে। আশা ছিল নীল ঢেউয়ের। সিনেটে ৫১ আর হাউজে ২৪০ আসনের কাছাকাছি গেলেই তারা খুশি হতো। স্থানীয় সময় সন্ধ্যার পর ফল আসতে শুরু করলে বোঝা গেল, এটা ঢেউ নয়, সুনামি। ডেমোক্র্যাটরা সিনেটে ৫৫ আর হাউজে ২৫৮ আসনের দিকে যাচ্ছে। সিনেটে তারা রিপাবলিকানদের হাত থেকে আসন ছিনিয়ে নিয়েছে আইওয়া, কানসাস, ওহাইও, মেইন, নর্থ ক্যারোলাইনা, সাউথ ক্যারোলাইনা আর টেক্সাসে। ডিপ সাউথ টেক্সাসে এমন জয় কয়েক মাস আগেও ছিল কল্পনার বাইরে।

কেন এমন হলো? প্রথম কারণ পকেট। এক্সিট পোলে ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতা ছিল ৩৮ শতাংশ আর ৮৯ শতাংশ ভোটার বলেছেন জীবনযাত্রার ব্যয় তাদের সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রেখেছে। ২০২৪ সালে অর্থনীতিই ট্রাম্পকে জিতিয়েছিল, এবার সেই অর্থনীতিই তার দলকে ডুবিয়েছে। যে তরুণ, ল্যাটিনো ও নারী ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প ২০২৪-এ ঢুকে পড়েছিলেন, এবার তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে গেছে। দ্বিতীয় কারণ, স্বতন্ত্র ভোটার। এক্সিট পোলে দেখা গেছে, স্বতন্ত্র ভোটারদের ৫৬ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে আর ৩৯ শতাংশ বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। মূল্যস্ফীতি, শুল্ক আরোপ আর ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষও এ নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব রেখেছে।

তবে এ জয়কে ডেমোক্র্যাটদের নিজস্ব সাফল্য ভাবলে ভুল হবে। ভোটাররা ট্রাম্পকে অপছন্দ করেন; কিন্তু ডেমোক্র্যাটদের এখনো আস্থায় নেননি।

এবার আসল প্রশ্নে আসি। এই ফল কি বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে বদল আনবে? উত্তরে বলা যায়, দিক বদলাবে না; কিন্তু সুর বদলাবে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, বিদেশনীতি মূলত প্রেসিডেন্টের এখতিয়ার। আর ট্রাম্প ২০২৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত হোয়াইট হাউজে আছেন। তবে কংগ্রেসের হাতেও কিছু লাগাম আছে। বাজেট, তদারকি, শুনানি, রাষ্ট্রদূত নিয়োগের অনুমোদন, শুল্ক আরোপের সাংবিধানিক ক্ষমতা— সবই সেখানে। এই লাগাম এতদিন ঢিলা ছিল। এখন তাতে টান পড়বে।

ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি লেনদেন। এ বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ মার্কিন পণ্যের ৭ হাজার ১৩২টি আইটেমে শুল্ক কমাবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনবে, ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের এলএনজি আমদানি করবে। কিছু দেশ থেকে প্রতিরক্ষা আমদানিও সীমিত করবে। বিনিময়ে মার্কিন শুল্ক নেমেছে ১৯ শতাংশে। তার ওপর রয়েছে বোয়িং বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি। জ্বালানিতে যুক্তরাষ্ট্র আগেই ঢুকে আছে, কারণ শেভরন একাই বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের ৪০ শতাংশ জোগায়।

সবচেয়ে বিতর্কিত অংশ প্রতিরক্ষা। ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লেখা চিঠিতে ট্রাম্প ‘নিয়মমাফিক দুটি প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সম্পন্ন করতে সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে ‘বাংলাদেশের সেনাবাহিনী উন্নত মার্কিন সরঞ্জাম পায়’। চুক্তি দুটি হলো— ‘জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন অ্যাগ্রিমেন্ট’ ও ‘অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং অ্যাগ্রিমেন্ট’। একটি গোপন সামরিক তথ্য আদান-প্রদানের, অন্যটি সামরিক সরবরাহ ও সেবা বিনিময়ের। সমালোচকদের আশঙ্কা, এর ফলে বাংলাদেশ তার গোয়েন্দা সার্বভৌমত্বের একটি অংশ হারাতে পারে।

প্রতিরক্ষার প্রশ্নটি একটু স্পর্শকাতর। ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করতে ‘সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ’ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। নতুন সংখ্যাগরিষ্ঠ কংগ্রেস এ নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, এটিই স্বাভাবিক। চুক্তির শর্ত কী, মানবাধিকারের কোনো শর্ত আছে কি না, এসব জানতে চাওয়া হবে। শুল্ক চুক্তিটিও গোপনীয়তার জন্য সমালোচিত হয়েছিল। আমাদের নিজেদের সংসদও এসব চুক্তি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করলে ভালো। ওয়াশিংটনের প্রশ্নের আগে ঢাকার মানুষের প্রশ্নের জবাব দেওয়া জরুরি। আর যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাতিল করায় বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। অর্থাৎ ওয়াশিংটনের হাতের বড় অস্ত্রটি আগেই কিছুটা ভোঁতা হয়ে গিয়েছিল।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ডেমোক্র্যাটরা হাউজ ও সিনেটে বিভিন্ন কমিটির সভাপতিত্ব ও তলবের ক্ষমতা পাবেন। সিনেটে ট্রাম্পের বিচারক ও মন্ত্রিসভার মনোনয়নে মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন। গোপন বাণিজ্য চুক্তি, প্রতিরক্ষা চুক্তি— এসবে এখন শুনানির প্রশ্ন উঠবে।

ঢাকার জন্য এই ফলাফল কিছুটা স্বস্তি আনতে পারে। চাপ কমলে দরকষাকষির জায়গা বাড়ে। প্রতিরক্ষা চুক্তি দুটি তাড়াহুড়ো করে সই করার যুক্তি এখন দুর্বল হয়েছে। রোহিঙ্গা প্রশ্ন নিয়ে দুই দলেই সহানুভূতি আছে। আর মানবাধিকারের প্রশ্নে ডেমোক্র্যাটরা সাধারণত বেশি সরব। মিয়ানমারের জবাবদিহি আর নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিয়ে কংগ্রেসে জোরালো কণ্ঠ শোনা গেলে ঢাকারই লাভ।

গণতন্ত্র আর গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নেও সুর বদলাতে পারে। আন্তর্জাতিক সূচকে বাংলাদেশ এখন ১৮০ দেশের মধ্যে ১৫২তম। ক্যাপিটল হিলে এ নিয়ে চিঠি বা প্রশ্ন এলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। সরকার এটিকে খোঁচা না ভেবে সংস্কারের সুযোগ ভাবতে পারে।

কংগ্রেসের এ ভূমিকা আমাদের জন্য নতুন কিছু নয়। একাত্তরে নিক্সনের হোয়াইট হাউজ ছিল ইয়াহিয়া খানের পাশে। কিন্তু সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি শরণার্থীশিবির ঘুরে ওয়াশিংটনে ফিরে সরব হয়েছিলেন। কংগ্রেসের অনেক সদস্য পাকিস্তানকে সামরিক সহায়তা বন্ধের দাবি তুলেছিলেন। হোয়াইট হাউজ আর ক্যাপিটল হিল সবসময় এক সুরে বাজে না। বাংলাদেশ বহুবার সেই দ্বিতীয় সুরের কাছে ঋণী থেকেছে।

ঢাকার জন্য পাঠটা এখানেই। সম্প্রতি আমাদের কূটনীতিতে একজন মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় করার ঝোঁক দেখা গেছে। চিঠি, শুভেচ্ছা, বার্তা, সবই একজনকে ঘিরে। এতে দোষ নেই, তবে এক ব্যক্তির ওপর বাজি ধরা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, বিশেষ করে যার নিজের দেশের ভোটাররাই তাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দুই দলের সঙ্গেই সম্পর্ক রাখতে হবে, থিংক ট্যাংকগুলোর সঙ্গে সংযোগ গড়তে হবে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কণ্ঠ কাজে লাগাতে হবে।

প্রবাদ বলে— ঢেউ দেখে যে নৌকা ছাড়ে সে ডোবে আর যে নদীর স্বভাব চেনে সে পাড়ি দেয়। যুক্তরাষ্ট্রে ঢেউ এবার সুনামি হয়ে উঠেছে; কিন্তু নদী আগের জায়গাতেই আছে। সে নদীর নাম স্বার্থ। স্বার্থ দলের রঙ দেখে বদলায় না। তাই আজ সুনামির খবরে উল্লসিত বা আতঙ্কিত হওয়ার চেয়ে নদীর স্বভাবটা ভালো করে বুঝে নেওয়াই আমাদের কাজ।


লেখক: চেয়ারপারসন, কমিউনিকেশনস বিভাগ, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, বেকার্সফিল্ড

মার্কিনহাওয়াওয়াশিংটনবদলালেপূর্বাভাসডেমোক্র্যাটকূটনীতি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    হাসিনার উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে

    হাসিনার উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে

    এখনো ডিবি কার্যালয়ে ইকবাল সোবহান

    এখনো ডিবি কার্যালয়ে ইকবাল সোবহান

    কংগ্রেস এখন ডেমোক্র্যাটদের, তাতে ট্রাম্পের কী কী সমস্যা

    কংগ্রেস এখন ডেমোক্র্যাটদের, তাতে ট্রাম্পের কী কী সমস্যা