‘আপাতত’ ইসরায়েলে হামলা চালাবে না ইরান

ছবি: রয়টার্স
এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চালানো ইরানের প্রথম দফা হামলা শেষ হয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে সশস্ত্র বাহিনীর অভিযান আপাতত বন্ধ ঘোষণা করে ইরানের সামরিক বাহিনী। তবে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা চালিয়ে যায়, তাহলে আবারও শুরু করা হবে হামলা।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইসরায়েল। রবিবার রাতে তেহরান ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালায়। ইরান বলেছে, বৈরুতের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি হামলার জবাব ছিল এটি।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েল ও ইরানকে ‘অবিলম্বে গোলাগুলি বন্ধ’ করার আহ্বান জানান।
এপ্রিলের পর এবারই প্রথম ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটল। বিশ্লেষকদের মতে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলতে পারে এটি।
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর জানিয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলের হামলার জবাবে তারা ‘বেদনাদায়ক প্রতিক্রিয়া’ জানিয়েছে। এর মধ্যে রবিবার বৈরুতের উপকণ্ঠে চালানো হামলাও রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সেই অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর অভিযান আপাতত বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। তবে স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে, যদি আগ্রাসন ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড— বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে চলতে থাকে, তাহলে আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর ও বিধ্বংসী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কয়েকটি পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েল ও ইরান উভয়ই ‘তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি’ চায়।
তিনি লেখেন, ‘শান্তি’ নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা এগোচ্ছে, যদি না অজ্ঞতা বা বোকামি পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।’
ট্রাম্প আরও জানান, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ বহাল থাকবে।
এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোমবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন ট্রাম্প।




