Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

যুদ্ধে প্রযুক্তির জয়

রোবটের কাছে কুপোকাত রুশ সেনারা

সিএনএন
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৪০
রোবটের কাছে কুপোকাত রুশ সেনারা

সংগৃহীত ছবি

একসময় দেখা যেত টিভি সিরিজ বা সিনেমায়। যুদ্ধের ময়দানে রোবটের কাছে আত্মসমর্পণ করছেন মানুষ। সেই দৃশ্যই এখন বাস্তব। গত গ্রীষ্মে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দানে। ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নিজ সেনাদের প্রাণক্ষয় ঠেকাতে এ প্রযুক্তি দিন দিন হয়ে উঠছে সেরা বিকল্প।

এই দৃশ্যও আগেকার যুদ্ধের নিয়মের মতোই। দুই রুশ সৈনিক। হাত উঁচু করে আত্মসমর্পণ করছেন এবং বিপক্ষের চিৎকার করে দেওয়া নির্দেশগুলো অনুসরণ করছেন সতর্কভাবে।

তবে এই ক্ষেত্রে কোথাও ছিল না কোনো মানব বন্দিদাতা। বরং, ওই দুই রুশ সৈনিক ইউক্রেনীয় স্থল রোবট এবং ড্রোনের কাছে করছিলেন আত্মসমর্পণ। যন্ত্রগুলো কয়েক মাইল দূরে নিরাপদ অবস্থান থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন একজন ইউক্রেনীয় চালক। এটাই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ এবং এখনই ঘটছে এটি।

অভিযানটি পরিচালনা করা ইউক্রেনীয় ইউনিটের কমান্ডার মাইকোলা মাকার জিঙ্কেভিচের ভাষ্য, একটি গুলিও ছোড়া ছাড়াই দখল করা হয়েছিল রুশ সেনাদের ঘাঁটিটি।

জিঙ্কেভিচ ইউক্রেনের থার্ড সেপারেট অ্যাসল্ট ব্রিগেডের এনসি১৩ ইউনিটে কাজ করেন এবং পরিচালনা করেন স্থলভিত্তিক রোবোটিক আক্রমণ ব্যবস্থা। তিনি জানান, গত গ্রীষ্মে পরিচালিত ওই অভিযানটি ছিল ইতিহাসে প্রথমবার। এ সময় শত্রুর ঘাঁটি পদাতিক বাহিনীর অংশগ্রহণ ছাড়াই স্থল রোবট এবং ড্রোন দিয়ে দখল এবং বিপক্ষ সেনাদের করা হয় বন্দি।

এই দাবি যাচাই করা কঠিন। তবে এটি তুলে ধরে কিয়েভের প্রযুক্তিগত গর্বকে। এরপর থেকে যেসব অভিযানে মানব সেনাদের জায়গায় করা হচ্ছে রোবট প্রতিস্থাপন, সেগুলো হয়ে উঠেছে ইউনিটটির দৈনন্দিন কাজের অংশ।

বহু বছর ধরেই ইউক্রেনের আকাশ যুদ্ধযানগুলোর মধ্যে ড্রোনের সংখ্যাই বেশি। এগুলো নিজেদের পদাতিক বাহিনীর জন্য তৈরি করছে গুরুতর হুমকি। এর ফলে, ইউক্রেনীয়রা স্থল ড্রোন এবং রোবোটিক সিস্টেম নিয়ে শুরু করেপরীক্ষা-নিরীক্ষা। যেগুলো চাকা বা ট্র্যাকে চলে এমন দূরনিয়ন্ত্রিত যান। শুরুতে প্রধানত আহতদের সরিয়ে নেওয়া এবং সেনাদের আবার সরবরাহ দেওয়ার কাজে হতো ব্যবহৃত। তবে যানগুলো যুদ্ধ আক্রমণ মিশন পরিচালনায়ও হচ্ছে ব্যবহৃত।

স্থল ড্রোন বড় সামরিক যানবাহনের তুলনায় শনাক্ত করা এবং বাধা দেওয়া বেশ কঠিন। আকাশ ড্রোনের তুলনায় এগুলো সব ধরনের আবহাওয়ায় আরও ভালো কাজ করতে পারে এবং সক্ষম অনেক বড় পরিমাণ বোঝা বহনে। এগুলো আরও বেশি টেকসই এবং রয়েছে দীর্ঘ ব্যাটারি স্থায়িত্ব। গত বছরের শেষ দিকে, থার্ড আর্মি কর্পস জানিয়েছিল, একটি মেশিনগান-সজ্জিত একক স্থল রোবট ৪৫ দিন রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা ঠেকিয়ে রাখতে হয়েছিল সক্ষম। রোবটটির প্রতি দুই দিনে প্রয়োজন হয়েছিল একবার হালকা রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যাটারি রিচার্জের।

রাশিয়ার অনেক বড় সামরিক শক্তির কথা তুলে ধরে জিন্কেভিচের ভাষ্য, ‘বুঝতে হবে, আমাদের সৈন্যসংখ্যা কখনোই বেশি হবে না এবং শত্রুর তুলনায় পাব না সংখ্যাগত সুবিধা। তাই, আমাদের প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্জন করতে হবে এই সুবিধা। আমাদের বর্তমান লক্ষ্য হলো এই বছর পদাতিক বাহিনীর এক-তৃতীয়াংশকে ড্রোন ও রোবট দিয়ে প্রতিস্থাপন।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত মঙ্গলবার দাবি করেছেন, শুধু তিন মাসেই ড্রোন ও রোবটের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়েছে ২২ হাজারের বেশি অভিযান।

ভাষান্তর: জুয়েল জনি  

যুদ্ধরাশিয়াইউক্রেন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise