ক্রিমিয়ায় চাপ বাড়াতে ৩৬ রুশ জাহাজে হামলা ইউক্রেনের

ক্রিমিয়ার সামুদ্রিক রসদ সরবরাহ পথেও ধারাবাহিক আঘাত হানছে কিয়েভ
রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে ইউক্রেন সামরিক অভিযান জোরদার করেছে। স্থলপথে হামলার পাশাপাশি এবার ক্রিমিয়ার সামুদ্রিক রসদ সরবরাহ পথেও ধারাবাহিক আঘাত হানছে কিয়েভ।
ইউক্রেনের ড্রোন বাহিনীর কমান্ডার রবার্ট ব্রোভদি দাবি করেছেন, গত চার দিনে আজভ সাগরে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্তত ২৫টি জাহাজে।
তিনি বলেছেন, এত অল্প সময়ে এতগুলো জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া রাশিয়ার নৌ সক্ষমতার জন্য বড় ধাক্কা। একই সঙ্গে ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতিশ্রুতিও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
ইউক্রেনের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলা তাদের ঘোষিত ‘লজিস্টিকস লকডাউন’ অভিযানের অংশ। এর লক্ষ্য হলো দখলকৃত ক্রিমিয়ায় প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হওয়ার রসদ সরবরাহ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল করে দেওয়া।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, মোট ৩৬টি জাহাজে হামলা হয়েছে এবং এর বেশির ভাগই রাশিয়ার তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর বাণিজ্যিক তেলবাহী ট্যাংকার।
তবে ঠিক কতটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ, কিছু জাহাজ একাধিকবার হামলার শিকার হয়ে থাকতে পারে এবং সব হামলার স্বাধীনভাবে যাচাইও সম্ভব হয়নি।
দখলকৃত ক্রিমিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলসংলগ্ন আজভ সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারের অবস্থান সাধারণ ঘটনা। কারণ, ক্রিমিয়ার কের্চ বন্দরে স্থলভিত্তিক একটি তেল লোডিং টার্মিনাল রয়েছে।
গত মাসে ইউক্রেন কের্চ বন্দরে হামলা চালায়। পরে উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ওই হামলার পর এলাকাটিতে অবস্থানরত তেলবাহী ট্যাংকারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।




