Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ভারত

বাংলাদেশ নিয়ে মন্তব্যের জেরে রাধারমণ দাসকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠাল ইসকন

সংবাদদাতা, কলকাতা
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ১২:২৪
বাংলাদেশ নিয়ে মন্তব্যের জেরে রাধারমণ দাসকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠাল ইসকন

ইসকন নেতা রাধারমণ দাস। ছবি : সংগৃহীত

ইসকনের অন্যতম পরিচিত মুখ রাধারমণ দাসকে সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে তার একাধিক বিতর্কিত জনমত। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সূত্র ও ইসকনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, বাংলাদেশ নিয়ে তার ধারাবাহিক মন্তব্য এবং পশ্চিমবঙ্গের স্কুলগুলোতে মিড-ডে মিল প্রকল্পকে ঘিরে প্রকাশ্য অবস্থানই এই পদক্ষেপের নেপথ্যে বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।

দীর্ঘদিন ধরে কলকাতায় ইসকনের সহ-সভাপতি এবং সংগঠনের অন্যতম মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন রাধারমণ দাস। সামাজিক মাধ্যমে তার সক্রিয় উপস্থিতি এবং সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত বক্তব্যের কারণে তিনি ভক্তমহলের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সেই সক্রিয়তাই শেষ পর্যন্ত সংগঠনের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় বলে মনে করা হচ্ছে।

ইসকনের তরফে জানানো হয়েছে, রাধারমণ দাসকে আপাতত বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে এবং তিনি আর সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে কোনও সংবাদমাধ্যম, সরকারি দফতর বা জনসমক্ষে বক্তব্য রাখতে পারবেন না। কারণ হিসেবে সংগঠন বলেছে, তিনি একাধিক ক্ষেত্রে নিজের নির্ধারিত দায়িত্ব ও সীমার বাইরে গিয়ে মন্তব্য করেছেন।

বিশেষ করে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের অভিযোগ এবং সেখানে ইসকনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে চলা বিতর্কে রাধারমণ দাস বারবার প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন। ইসকনের বক্তব্য, বাংলাদেশ শাখার আপত্তি ও সতর্কবার্তা সত্ত্বেও তিনি এই বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে গিয়েছেন।

আরও পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে নতুন ‘গুন্ডাদমন বিল’ ঘিরে তুমুল বিতর্ক বিধানসভায়

২৯ জুন ২০২৬

শুধু বাংলাদেশ প্রসঙ্গই নয়, পশ্চিমবঙ্গের স্কুলগুলিতে বিজেপি সরকারের পরীক্ষামূলক 'নিরামিষ মিড-ডে' মিল প্রকল্প নিয়েও তার মন্তব্য বিতর্কের জন্ম দেয়। ডিমের পরিবর্তে সয়াবিন, রাজমা, ছানা ও অন্যান্য নিরামিষ খাদ্য থেকে শিশুদের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের জোগান সম্ভব বলে তিনি প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন। পুষ্টি ও শিক্ষানীতির মতো সংবেদনশীল বিষয়ে ইসকনের আনুষ্ঠানিক ভূমিকা না থাকা সত্ত্বেও তার এই মন্তব্য সংগঠনের অন্দরে অসন্তোষ তৈরি করেছে বলে জানা গিয়েছে।

ইসকনের অনেকেরই মতে, কোনও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি যখন সামাজিক, রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক বিতর্কে নিয়মিত অবস্থান নিতে শুরু করেন, তখন তা সংগঠনের সরকারি অবস্থান হিসেবে ব্যাখ্যা হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। রাধারমণ দাসের ক্ষেত্রে ঠিক সেটাই ঘটেছে বলে মনে করছেন তারা। তবে মনে করা হচ্ছে বিষয়টির কেন্দ্রে রয়েছে দুটি প্রশ্ন- বাংলাদেশ নিয়ে তার ক্রমাগত প্রকাশ্য মন্তব্য এবং মিড-ডে মিলে ডিমের পরিবর্তে নিরামিষ খাদ্যের পক্ষে সরব অবস্থান।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক অরিন্দম ভট্টাচার্যের কথায়, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এবং মিড-ডে মিল বিতর্ক - এই দুই ইস্যুতেই রাধারমণ দাস এমনভাবে সামনে চলে এসেছিলেন যে, তিনি ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংগঠকের চেয়ে জনমত-নির্মাতা হিসেবেই বেশি পরিচিত হয়ে উঠছিলেন। ইসকনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত সেই প্রবণতার ওপরই লাগাম টানার চেষ্টা বলে মনে হচ্ছে।

ইসকনবাংলাদেশ-ভারতরাধারমণ দাস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise