Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ভারত

তৃণমূলের জোড়াফুল কার?

সংবাদদাতা, কলকাতা
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ১৮:২৫
তৃণমূলের জোড়াফুল কার?

জোড়াফুল প্রতীক

তৃণমূল কংগ্রেসের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব ক্রমশ নতুন মোড় নিচ্ছে। কলকাতার গোপন বৈঠক থেকে নিজেদের ‘প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস’ বলে দাবি করার পর এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন শিবির। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে নিজেদের দাবি পেশ করতে রওনা দিল ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

ঋতব্রত শিবিরের দাবি, সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন তাদের পক্ষেই রয়েছে। সেই কারণেই দলীয় নাম, জোড়াফুল প্রতীক এবং দলীয় সম্পদের ওপর তাদের অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। সেই দাবিই এবার নির্বাচন কমিশনের সামনে তুলে ধরতে চলেছেন তারা।

দিল্লি যাওয়ার আগে ঋতব্রত বলেছেন, ২২ জুনের বিশেষ অধিবেশনের পর আমরা নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন উভয়ের কাছেই চিঠি পাঠিয়েছিলাম। কমিশন আমাদের বক্তব্য শোনার জন্য সময় দিয়েছে। তার জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ফুল বেঞ্চের সামনে আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরব।

সূত্রের খবর, প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ঋতব্রত ছাড়াও তার শিবিরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা। কমিশনের সামনে তারা দাবি করবেন যে, দলের বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামো ও নেতৃত্বের বৈধতা তাদের পক্ষেই রয়েছে।

এই সংঘাতের সূত্রপাত ২২ জুনের বৈঠককে কেন্দ্র করে। ওই দিন জোড়াফুল প্রতীককে সামনে রেখে আয়োজিত বিশেষ অধিবেশনে নিজেদের নেতৃত্বে নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করে ঋতব্রত শিবির। সেখানে অরূপ রায়কে চেয়ারম্যান এবং সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়। ৩০ সদস্যের একটি নতুন কার্যকরী সমিতিও গঠন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

ঋতব্রত শিবিরের ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ সম্পাদক পদে রাখা হয়েছে জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিনকে। সহসভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং রথীন ঘোষকে। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে আখরুজ্জামান খানকে।

তবে এই দাবিকে প্রথম থেকেই সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব। ঋতব্রতদের বৈঠকের পরই প্রকাশ্যে আনা হয় দলের ওয়ার্কিং কমিটির তালিকা। সেখানে স্পষ্ট করে জানানো হয়, দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। তৃণমূল নেতা মদন মিত্রও দাবি করেন, দলের সংবিধান অনুযায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই স্থায়ী চেয়ারপার্সন এবং সেই অবস্থানে কোনো পরিবর্তনের প্রশ্নই নেই।

এ নিয়ে তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, এটি একটি হাস্যকর নাটক। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত এক ব্যক্তি বিশেষ অধিবেশন করছেন। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। আমরা বিশ্বাস করি ন্যায়বিচার হবে। এ ধরনের আচরণকে আমরা কোনো গুরুত্ব দিই না। তৃণমূল মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাকিটা সার্কাস।

তবে বিষয়টি এখন শুধু সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক বৈধতা নিয়ে দাবি-প্রতিদাবির জেরে নজর এখন নির্বাচন কমিশনের দিকে। কমিশন কী অবস্থান নেয়, তার ওপরই নির্ভর করতে পারে এই দ্বন্দ্বের পরবর্তী অধ্যায়। এর আগে ২৩ জুন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরেও গিয়েছিল ঋতব্রত শিবির। সেখানে ২২ জুনের বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং নতুন কার্যকরী সমিতির সদস্যদের তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। সেই প্রক্রিয়ারই পরবর্তী ধাপ হিসেবে এবার দিল্লিতে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে হাজির হচ্ছে তারা। ফলে বৃহস্পতিবারের বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তুঙ্গে। কমিশনের দরজায় পৌঁছে যাওয়া এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

পশ্চিমবঙ্গতৃণমূল কংগ্রেস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise