মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আপত্তি সংখ্যালঘু মহলের

সংগৃহীত ছবি
পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসাগুলোতেও ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। স্কুলশিক্ষা দপ্তরের পর মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর এমএসকে-এসএসকে, স্বীকৃত আন-এডেড মাদ্রাসা এবং সরকারি ইংরেজি মাধ্যম মাদ্রাসায় এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেই প্রার্থনা সংগীত হিসেবে গানটি গাওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে সরকারি স্কুলগুলোতে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। এবার সেই সিদ্ধান্তের আওতায় মাদ্রাসাগুলোকেও আনা হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলার স্কুল পরিদর্শক ও শিক্ষকদের কাছেও এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পৌঁছে গেছে।
তবে সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রথম দুটি স্তবকে ধর্মীয় উল্লেখ না থাকলেও পরবর্তী অংশে দেবী দুর্গার উল্লেখ রয়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরেই মুসলিম সমাজের একটি অংশ গানটির সম্পূর্ণ সংস্করণ বাধ্যতামূলক করার বিরোধীতা করে আসছে।
বেঙ্গল মাদ্রাসা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘মাদ্রাসা সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সংবিধানপ্রদত্ত বিশেষ অধিকার ভোগ করে। তার মতে, দেশপ্রেম প্রমাণের উপায় হিসেবে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা সংবিধানের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই মাদ্রাসাগুলোকে এ বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।




