Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
হাজারো মানুষের প্রেরণা রফিকুল
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চীন

শি-ট্রাম্প বৈঠক

‘কৌশলগত স্থিতিশীলতা’ বলতে কী বোঝায় চীন-যুক্তরাষ্ট্র

নং হং
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ২২:০৭
‘কৌশলগত স্থিতিশীলতা’ বলতে কী বোঝায় চীন-যুক্তরাষ্ট্র

ছবি- সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক এবার বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। এখান থেকে সামনে এসেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিবৃতিতে বেইজিং জানিয়েছেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের ‘গঠনমূলক ও কৌশলগত স্থিতিশীল’ সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে আগামী পাঁচ বছর (তিন বছর ও পরের দুই বছর) কেমন হবে। এই শব্দচয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বল্পমেয়াদে কঠিন সম্পর্ক আরও স্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে। শুধু এটিই গুরুত্বপূর্ণ নয়। এখানে দুই দেশ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে যে স্পষ্ট রাজনৈতিক কাঠামো তৈরির চেষ্টা চলছে তারও ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘আগামী তিন বছর এবং তার পরেও’ শব্দটি। এর মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ ও পরবর্তী সময়ে নতুন প্রেসিডেন্টের মেয়াদের ইঙ্গিত। সম্পর্ক শুধু বৈঠকে সীমাবদ্ধ না রেখে দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহও এখানে স্পষ্ট। তাই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, বৈঠকে কি এমন কোনো সম্পর্ক দুই দেশের তৈরি হয়েছে, যার ওপর ভিত্তি করে বাস্তবিক রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা যায়?

শি ‘গঠনমূলক ও কৌশলগত স্থিতিশীলতা’ বলতে বুঝিয়েছেন— মূল ভিত্তি হবে সহযোগিতা। প্রতিযোগিতা থাকবে সীমার মধ্যে। মতভেদ নিয়ন্ত্রণযোগ্য হবে এবং শান্তি বজায় থাকবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভাষায় পুরনো অংশীদারিত্বের আহ্বান কম। বরং চেষ্টা করা হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও নিয়ন্ত্রিতভাবে একসঙ্গে চলার কাঠামো বানানোর।

বেইজিং জানিয়েছে, প্রতিযোগিতা অস্বীকার নয়, বরং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সীমা ও কৌশলে রাখার প্রচেষ্টায় আছে তারা। যার কারণে তাৎক্ষণিক ফলাফলের বাইরে আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বৈঠকটি। ট্রাম্পের চীননীতি প্রায়ই বাণিজ্যিক দৃষ্টিতে দেখা হয় ওয়াশিংটনে। যেখানে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দৃশ্যমান লাভ, শীর্ষ পর্যায়ে যোগাযোগ এবং কৌশলগত সুবিধা।

সেই দৃষ্টিভঙ্গিই বেশি দেখা গেছে বৈঠক নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে। যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতির এক বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বাজারে প্রবেশাধিকার, কৃষিপণ্য কেনা, হরমুজ প্রণালি এবং চীনের সম্ভাব্য মার্কিন জ্বালানি কেনার ওপর জোর দেওয়া হয়। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সম্পর্কের বড় ধারণাগত কাঠামোর বদলে বাস্তব ফলাফল ও তাৎক্ষণিক ঝুঁকি কমানোর বিষয়েও।

আরও পড়ুন

ড্রোন কীভাবে ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক কৌশল বদলে দিচ্ছে?

১৭ মে ২০২৬

পরবর্তীতে নেওয়া পদক্ষেপগুলো কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে, সেটিও ভাষাগত প্রয়োগের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ চীনের প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে জোরালোভাবে ছিল তাইপে। এমনকি তাইওয়ান নিয়ে ঝামেলা হলে দুই দেশের সম্পর্ক গুরুতর সমস্যায় পড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন শি।



বাস্তবতার বুঝতে হলে তাইওয়ানই হবে চীনের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। চীনের প্রস্তাবের দুটি দিক— স্থিতিশীলতা ও সম্পর্কের কাঠামো নির্ধারণ। বেইজিং স্থিতিশীলতা আনতে চাচ্ছে বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক চাপ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং কৌশলগত সন্দেহ বাড়ার কারণে। দুই দেশের সম্পর্ক কেমন হবে এটাও নির্ভরশীল এখানে।



সম্পর্ক মানে আলাদা ইস্যু নিয়ে দর-কষাকষি নয় বরং আরও বিস্তৃত কাঠামোতে পরিচালনার কথা বলা হচ্ছে। রাজনৈতিক সীমা থাকবে আরও স্পষ্ট। তবে কোনোকিছু অতিরঞ্জিত করার পক্ষে না বিশ্লেষকরা।



বিবৃতিতে একটি শব্দ ব্যবহার করলেই স্থায়ী কাঠামো হয় না। প্রকাশ্যে একই ভাষা ব্যবহারও করেনি ওয়াশিংটন। তাই শুধু বেইজিং প্রস্তাব করেছে বলেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এটি মেনে নেবেন— এমন ভাবার সুযোগ নেই।



বিষয়টি শুধু চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, পুরো অঞ্চলের সরকার ও বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।



চীনযুক্তরাষ্ট্রডোনাল্ড ট্রাম্পশি জিনপিংবৈঠক
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস:  বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস: বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ যা বললেন শ্রীলেখা

    সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ যা বললেন শ্রীলেখা

    সাজেকে গোলাগুলির জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করল পুলিশ

    সাজেকে গোলাগুলির জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করল পুলিশ

    দেবীর কপালে সিঁদুর পরানোর সময় হৃদ্‌রোগে প্রাণ গেল নববধূর

    দেবীর কপালে সিঁদুর পরানোর সময় হৃদ্‌রোগে প্রাণ গেল নববধূর

    চাঁদা উঠত মিরপুরে, পাঠানো হতো বিদেশে

    চাঁদা উঠত মিরপুরে, পাঠানো হতো বিদেশে