আসামের ধুবড়ির চাপরে কয়েকবছর আগেও ছিল ঘরবাড়ি, উঠান, গবাদি পশু, মানুষের কোলাহল। ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে একাধিকবার ঘর হারানো পরিবারগুলোর অনেকেই সেখানে তিন থেকে চার দশক ধরে বসবাস করছিলেন। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে সেই ঘরগুলোই বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেয় আসাম সরকার। উচ্ছেদ হয় ১৪০০-র বেশি বাংলাভাষী মুসলিম পরিবার। সংখ্যায় প্রায় ১০ হাজার মানুষ। আর এর এক বছর না পেরোতেই সেই জমিতে শুরু হল আদানি পাওয়ারের ৩২০০ মেগাওয়াটের তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ।চাপরের চারুবাখরা, চিরাকুটা ১ ও ২ এবং সন্তোষপুর এলাকায় ২০ সেপ্টেম্বর প্রকল্পে...