সমালোচনার জবাবে নেইমারের স্ত্রী
আমি নিজের বিল নিজেই মেটাই

সংগৃহীত ছবি
ব্রুনা বিয়ানকার্ডি নিজেকে নেইমার জুনিয়রের ‘ট্রফি ওয়াইফ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, নেইমারের কাছ থেকে তিনি সম্পূর্ণ আর্থিক স্বাধীনতা বজায় রাখেন। এই ব্রাজিলিয়ান ইনফ্লুয়েন্সার তার পেশাগত জীবন এবং সেলেসাওদের সর্বকালের সেরা গোলদাতার সঙ্গে সম্পর্কের বাস্তব রূপ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।
কার্লা ফেলমানাসের সঙ্গে এক পডকাস্টে বিয়ানকার্ডি জনসাধারণের ধারণা পাল্টে দিতেই বলেছেন অজানা অনেক কথা। ‘তিনি পুরোপুরি নেইমারের সম্পদের ওপর ভরসা করে চলেন’ — এটা একটা ভ্রান্ত ধারণা দাবি করেছেন বিয়ানকার্ডি। ইনস্টাগ্রামে ১৫ মিলিয়নের বেশি ফলোয়ার থাকা এই ইনফ্লুয়েন্সার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বার্সেলোনা এবং পিএসজির সাবেক সুপারস্টার নেইমারের ওপর নির্ভর না করে তার নিজস্ব একটি সফল ক্যারিয়ার রয়েছে এবং তিনি নিজেই নিজের খরচ মেটান, ‘মানুষ মনে করে আমার কোনো কাজ নেই, শুধু ঘরে বসে থাকি আর আমরা কেবলই ট্রফি ওয়াইফ। আমি পরিষ্কার বলতে চাই, আমার নিজস্ব কাজ আছে, টিমকে আমার বেতন দিতে হয়। আমি নিজে অর্থ উপার্জন করি এবং আমার বিল নিজেই মেটাই।’
বিয়ানকার্ডি জোর দিয়ে বলেছেন যে, তিনি শুধু একজন বিখ্যাত ফুটবলারের সঙ্গীই নন, বরং একজন ব্যবসায়ীও। যার অধীনে একদল পেশাদার কর্মী কাজ করেন এবং তাদের জীবিকার জন্য তারা ব্রুনার ওপর নির্ভরশীল। বিয়ানকার্ডির পেশাগত কাজের পরিধি শুধু সাধারণ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেলে ‘ব্রু না কোজিনহা’ নামে একটি প্রজেক্ট চালু করেছেন, যেখানে তিনি জিউলিয়া বুসকাচ্চিও এবং লোর ইম্প্রোতার মতো প্রভাবশালী নারীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে একসঙ্গে রান্না করেছেন। এই উদ্যোগটি একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ, যার মধ্যে বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর জন্য উচ্চ-প্রোফাইল বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এমনকি নেইমার যখন মাঠে চরম চাপের মুহূর্তগুলো পার করছেন, তখনো ব্রুনা তার কাজকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। স্ত্রী যখন তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য সামলাচ্ছেন, নেইমারও তখন ব্রাজিলের আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। তারা দুজনেই পারিবারিক বন্ধন বজায় রাখার পাশাপাশি নিজ নিজ কাজের দিকে সমানভাবে মনোযোগী।
নেইমাল-বিয়ানকার্ডি জুটি তৃতীয় সন্তানের অপেক্ষায় আছেন। মাভি এবং মেলের বাবা-মা এই বিশ্বকাপের ব্যস্ততার মধ্যেই পেয়েছেন নতুন সন্তানের আগমনী বার্তা। বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিল দল ঘোষণার ঠিক আগের দিন আসে সেই সুসংবাদ।




