স্কটল্যান্ড ম্যাচে পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বীকে পাচ্ছেন নেইমার

সংগৃহীত ছবি
ব্রাজিল বনাম স্কটল্যান্ড বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন জানা গেল এক অল্পপরিচিত গল্প। সেটি হলো নেইমার ও এক স্কটিশ খেলোয়াড় অ্যান্থনি রালস্টনের মধ্যকার সেই উত্তপ্ত অধ্যায়। বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে টকস্পোর্ট রেডিও কথা বলেছে সেলটিকের ফুলব্যাক রালস্টনকে নিয়ে, যার রয়েছে ব্রাজিলিয়ানদের বিপক্ষে স্মরণীয় কিছু অভিজ্ঞতা।
অফিসিয়াল সিনিয়র আন্তর্জাতিক ম্যাচে স্কটল্যান্ড কখনো ব্রাজিলকে হারাতে পারেনি। দশ ম্যাচে হেরেছে আট বার এবং ড্র করেছে দুইবার। তবুও রালস্টনের ঝুলিতে আছে একটি বিশেষ স্মৃতি। ২০১৭ সালে তিনি ছিলেন সেই স্কটল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২০ দলের অংশ, যারা যেকোনো বয়সভিত্তিক বিভাগে প্রথমবারের মতো ব্রাজিলকে হারিয়ে ইতিহাস রচনা করেছিল।
সেসময় মাত্র ১৮ বছর বয়সী রালস্টন স্কটিশ যুব ফুটবলে নিজের নাম করতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু তার কিছু মাসের মধ্যেই অপেক্ষা করছিল আরও বড় পরীক্ষা। একই বছরের সেপ্টেম্বরে, চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির বিপক্ষে তাকে দেওয়া হলো নেইমারকে মার্ক করার দায়িত্ব। সেই নেইমার, যিনি বার্সেলোনা থেকে ফরাসি ক্লাবে যোগ দিয়ে সবে হয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামী খেলোয়াড়।
পিএসজি জিতেছিল ৫-০ গোলে, তবে এই ব্যক্তিগত দ্বৈরথটিই হয়ে উঠেছিল ম্যাচের অন্যতম আলোচিত প্রসঙ্গ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের বিবরণ অনুযায়ী, তরুণ স্কটিশ ডিফেন্ডার ব্রাজিলিয়ান তারকার সামনে মোটেও ভড়কে যাননি এবং সারা ম্যাচে বেশ কয়েকটি উত্তপ্ত মুহূর্তের জন্ম দেন।
সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনাটি ঘটে যখন নেইমার ডাইভিংয়ের জন্য হলুদ কার্ড পান। রালস্টন বিদ্রুপ প্রতিক্রিয়া দেখান, যা দুজনের মধ্যে মাঠেই বাগ্বিতণ্ডায় রূপ নেয়। উত্তেজনা চলে শেষ বাঁশি পর্যন্ত। টকস্পোর্ট জানাচ্ছে, ম্যাচ শেষে রালস্টন জার্সি বদলের অনুরোধ করলে নেইমার তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং হাত মেলাতেও অস্বীকার করেন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে তৎকালীন পিএসজি অধিনায়ক তিয়াগো সিলভাকে মাঝে পড়ে বিবাদ থামাতে হয়।
প্রায় এক দশক পর দুজনের পথ আবার মিলে যেতে পারে মিয়ামিতে। শারীরিকভাবে সেরে উঠে এই বিশ্বকাপে প্রথম মিনিট পাওয়ার অপেক্ষায় নেইমার, আর স্টিভ ক্লার্কের বেঞ্চে বিকল্প হিসেবে রয়েছেন রালস্টনও।




