‘ডুলিকে পরীক্ষামূলকভাবে দেখছি’

ফাইল ছবি
একদিন আগেই আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে থমাস ডুলির নাম ঘোষণা করেছে বাফুফে। অথচ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানালেন, সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্র বংশোদ্ভুত এই জার্মান কোচের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হবে। আগামী ৫ জুন সান মারিনোতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ফিফা টায়ার-১ আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেই নাকি থমাস ডুলিকে যাচাই করে নেওয়া হবে।
আজ শনিবার রাজধানীর সিটি ক্লাব মাঠে ‘ওয়ার্ল্ড ফুটবল ডে’ উপলক্ষে গ্রাসরুট ফুটবল ফ্যাস্টিভালে আমিনুল হক বলেছেন, ‘সান মারিনোর সঙ্গে যেই খেলাটি হবে, সেটি একটি টেস্ট আকারেই আমরা দেখতে চাই। এই বিষয় নিয়ে ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কথা বলেছিলেন। সেক্ষেত্রে আমাদের অগ্রাধিকার ছিল কোলম্যান। এজেন্টের একটু জটিলতার কারণে সেটি হয়নি। পরে আমাদের সেকেন্ড এবং থার্ড চয়েস যেসব কোচ ছিল, তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং আমাদের ফেডারেশনের যারা কর্মকর্তা রয়েছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলে পরে ফাইনাল করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘যেহেতু আমাদের আগামী দুই বছরে অলমোস্ট ১৬টি খেলা রয়েছে, এর ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ হলো সাফ ফুটবল। যে কোচ এসেছে, তার বিষয়ে এরই মধ্যে বলা হয়েছে, আমরা সামনের যে খেলাটা রয়েছে সেটা দেখব। তারপরে ফাইনালি গিয়ে হয়তোবা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন তার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি করবে।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাহলে কি বাফুফের সঙ্গে থমাস ডুলির চুক্তিটা হয়নি? জবাবে আমিনুল বলেছেন, ‘আমি বাফুফে সভাপতিকে বলেছি যে, সান মারিনোর সঙ্গে যেই খেলাটি হবে সেটি একটি টেস্ট আকারে আমরা দেখতে চাই। সেটি দেখার পর আমরা তার বিষয়ে ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেব। আমার সঙ্গে বাফুফে সভাপতির যে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে, সেটুকুই আপনাদের অবগত করেছি। কোলম্যানের বিষয়ে আমার কাছ থেকে সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছিল, সেটা আমি এগ্রিও করেছিলাম। বাট থমাস ডুলির যে বিষয়টি এসেছে, তার বিষয়ে আমার কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা চায়নি বাফুফে।’
মন্ত্রণালয় ও বাফুফের সমন্বয় নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি একটি কথা বলি আপনাদেরকে, আসলে আমি তো ফুটবলার, সো অনেক কিছুই বুঝি। বাট অনেকের কথাই শুনি, যাদের ফুটবল সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা আছে বলে মনে হয় না। বাট আমার কাছে মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশের যে প্রেক্ষাপট যেই কোচটি এসেছে, তাকে আমরা যেহেতু পরীক্ষামূলকভাবে দেখছি, সো দ্যাট আমরা সেই পরীক্ষামূলকভাবে তাকে যাচাই-বাছাই করি। বাফুফে সভাপতিকে বলা হয়েছে যে আপনারা খোঁজ করতে থাকেন। এর চেয়েও যদি বেটার আমরা ভবিষ্যতে কাউকে পাই, তাকে দ্রুত সময়ের ভিতরে আনা যায় কি না। বাট এখানে স্পোর্টস মিনিস্ট্রির সঙ্গে বাফুফের কোনো গ্যাপ নেই। একটি মহল হয়তোবা চেষ্টা করছে একটি বিভেদ তৈরি করার জন্য, ইস্যু তৈরি করার জন্য। আমার কাছে মনে হয় না (কোনো গ্যাপ আছে)। যেটাই হচ্ছে সেটা আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেই হচ্ছে।’






