সামুদ্রিক মাছ খেয়ে দুবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেছেন জার্মান স্ট্রাইকার

খাবারে মারাত্মক অ্যালার্জির কারণে জীবনে দুইবার প্রায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার রোমহর্ষক অভিজ্ঞতা শোনালেন করেছেন জার্মানি ও ভিএফবি স্টুটগার্টের স্ট্রাইকার দেনিজ উন্দাভ। ইউটিউব শো ‘এইচট্রিজোরিজ’-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের খাদ্যতালিকা, পছন্দের খাবার এবং জীবনের এই ভয়াবহ অ্যালার্জির কথা প্রকাশ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকারের একপর্যায়ে প্রিয় খাবারের কথা বলতে গিয়ে উন্দাভ জানান, তার পছন্দের খাবারের তালিকায় আছে গোস্ট উ বিরিনচ (ভাত ও মাংস দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী কুর্দি খাবার), আঙুরপাতায় মোড়ানো ভাত, টার্কিশ বিফ লাহমাজুন এবং ডোনার কাবাব। একপর্যায়ে সুশির প্রসঙ্গ আসতেই তিনি জানান যে সামুদ্রিক খাবারের প্রতি তার মারাত্মক রকমের অ্যালার্জি রয়েছে। এ বিষয়ে উন্দাভ বলেন, ‘আমার চিংড়ি খাওয়ার কোনো অনুমতি নেই। আমি দুইবার মারাত্মকভাবে অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হয়েছিলাম। দুই বারই মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। সামুদ্রিক কিছু খেলে আমার শরীর ফুলে ওঠে এবং শ্বাস নিতে পারি না!’
খাবারের প্রতি নিজের চরম ঝোঁকের কথা উল্লেখ করে উন্দাভ জানান, তিনি অত্যন্ত ঝাল খাবার খেতে ভালোবাসেন। বিশেষ করে ডোনার কাবাবের সাথে প্রচুর পরিমাণে লাল মরিচের গুঁড়ো বা চিলি পাউডার খান তিনি। ঝালের তীব্রতা মাপার একক ‘স্কোভিল’ প্রসঙ্গে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে ব্যথার অনুভূতি শুরু হয় প্রায় ২,৫০০ স্কোভিল থেকে, কিন্তু তিনি একবার ‘৩ মিলিয়ন স্কোভিলের একটি ডোনার কাবাব’ খেয়েছিলেন! এদিকে মাঠের খেলায় নতুন মৌসুম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ৩০ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার। আগামী শুক্রবার ডিএফবি কাপের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে হানসা রোস্টকের বিপক্ষে মাঠে নামবে ভিএফবি স্টুটগার্ট। এরপরের শুক্রবার বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বুন্দেসলিগা অভিযান শুরু করবে তারা। গত মে মাসের ডিএফবি কাপের ফাইনালে এই বায়ার্নের কাছেই ৩-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল উন্দাভের স্টুটগার্ট।
উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত গত বিশ্বকাপের হতাশার মাঝেও জার্মানি দলের হয়ে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স করা উন্দাভের লক্ষ্য জাতীয় দলের নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের সুনজরে আসা। আগামী সেপ্টেম্বরের শেষদিকে শুরু হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক প্রীতি ও বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোতে নিজের জায়গা পাকা করতে মরিয়া এই ফরোয়ার্ড।








