‘আমি তো আইসিসিতে চিঠি লিখিনি’

সংগৃহীত ছবি
২০২৫ সালের মে মাসে ফারুক আহমেদকে এক রাতের সিদ্ধান্তে বিসিবি বোর্ড প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ওই সময় ক্রীড়া উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার সিদ্ধান্তেই নতুন বিসিবি প্রধান করা হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে।
গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডকে ভেঙে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। এরপর আইসিসিতে চিঠি দিয়ে অভিযোগ করেছেন আমিনুল। অভিযোগের চিঠিতে নিজের বোর্ডকে পুনঃবহাল করার দাবি জানিয়েছেন সাবেক সভাপতি।
সেই চিঠিতে ওই বোর্ডের পরিচালক হিসেবে কোনো স্বাক্ষর করেননি বলে জানিয়েছেন ফারুক আহমেদ। আমিনুলের পাঠানো চিঠিটি সম্পর্কে তিনি অবগত নন বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে সরিয়ে আমিনুলের বোর্ড সভাপতি হওয়াও যে সঠিক প্রক্রিয়া ছিল না; তা মনে করিয়ে দিলেন ফারুক।
সাবেক বিসিবি প্রধান গুলশানে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আমিনুলকে একরকম জবাব দিলেন ২০২৫ সালের মে মাসের ঘটনার, ‘আমিও তো বোর্ড সভাপতি ছিলাম, আমাকে সরানোর প্রক্রিয়াও সঠিক ছিল না। তখন কিন্তু আমি আইসিসিতে অভিযোগ করি নাই। একটা চিঠিও লেখি নাই আইসিসিকে। সেখান থেকে নিশ্চিত হতে পারেন যে, এবারের যে চিঠির ব্যাপারটা উঠেছে সেখানে আমার কোনো হাত নেই।’
আইসিসিতে পাঠানো চিঠিতে কোনো স্বাক্ষর করেননি ফারুক। এ চিঠি যে পাঠানো হয়েছে তাও জানতেন না। তবে আমিনুলের বোর্ড পরিচালকরা আইনজীবীর মাধ্যমে এর আগে তাদের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যে রিট করেছিল সেখানে ফারুকের স্বাক্ষর ছিল।
আইসিসিতে পাঠানো চিঠির বিষয়ে সংবাদ মাধ্যম থেকেই জেনেছেন ফারুক, ‘আমি একটা বিষয় ক্লিয়ার করতে চাই। যেকোনো কিছু ঘটলে আমি ফেঁসে যাই। আমি এটার অংশ থাকি বা না থাকি, একটা স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে ফেলে। আমি আইসিসিতে পাঠানো চিঠির ব্যাপারে কিছুই জানি না। সংবাদিকদের থেকে মেসেজ পেয়ে জেনেছি। সেই চিঠি পড়েও দেখিনি। এজন্য আমি এ ব্যাপারটা সবাইকে ক্লিয়ার করতে চেয়েছি।’




