বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলবে, একান্ত সাক্ষাৎকারে হামজা
অনলাইন ডেস্ক

আমি বাংলাদেশে আসার আগে যা ভেবেছিলাম, দেশি খেলোয়াড়দের মান আমার প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমরা সবাই খুবই ক্ষুধার্ত সাফল্যের জন্য, দেশের হয়ে খেলতে অনুপ্রাণিত বোধ করি— আগামীর সময়কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন হামজা চৌধুরী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সিনিয়র রিপোর্টার সুদীপ্ত আনন্দ। ছবি তুলেছেন মোশারফ হোসেন ভুবন।
১

আমাদের সবসময় নানা অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু আমরা একটা দল, সবাই আমার সতীর্থ। একটাই ব্যবধান হতে পারে যে আমি ইংল্যান্ডে জন্মেছি আর তারা বাংলাদেশে। আমার চোখে এ ছাড়া কোনো ব্যবধান নেই।
২

আমি যখন তরুণ ছিলাম ১৭ বা ১৮ বছর বয়স, তখন যে ভুলগুলো করতাম, এখনো তাদের কয়েকজনকে সেগুলো করতে দেখি। সে বয়সে আমিও জানতাম না কীভাবে কঠিন মুহূর্তগুলো সামলাতে হয়। তবে আমরা যত বেশি বড় ম্যাচ খেলছি, দল হিসেবে তত বেশি চাপ সামলানোর সক্ষমতা অর্জন করছি।
৩

সাদ উদ্দিন খুব ভালো মানের ফুটবলার, সোহেল রানারও শীর্ষ পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা আছে; রাকিব হোসেন, ফাহিমও (ফয়সাল আহমেদ) ভালো। তবে অভিজ্ঞতা একটা ব্যাপার, যা একজন ফুটবলারকে বদলে দিতে পারে। এটি আমাদের অর্জন করতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমরা একদিন পারব।
৪

আমি এই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য মুখিয়ে আছি। জানি, আমাদের ওপর অনেক বড় চাপ থাকবে। আমার বিশ্বাস, সবাই মিলে দেশের জন্য দারুণ কিছু করতে পারব।
৫

আমার অনেক বন্ধুবান্ধব ইংল্যান্ডের হয়ে খেলে, তাই আমি চাই তারা ভালো করুক। তবে ফ্রান্স এবার অসাধারণ একটি দল। তাদের আক্রমণভাগ যে অনেক শক্তিশালী, তা পিএসজি ও বায়ার্ন মিউনিখকে দেখলেই বোঝা যায়। এ ছাড়া ব্রাজিল আমার প্রিয়, তাই আমি এই দলগুলোর ভালো করার প্রত্যাশা করি।
৬

স্পেন ও ফ্রান্সের পাশাপাশি ব্রাজিলকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দেখতে চাই। কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের বড় সুযোগ আছে, আর চতুর্থটি... ইংল্যান্ড হতে পারে।
৭

আমি একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম (নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস), যেখানে শিশুদের অল্প বয়স থেকে দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপে বা অন্য মহাদেশে খুব অল্প বয়স থেকে ফুটবল শিক্ষা শুরু হয়, এটিই ফুটবলের বেসিক শেখার আদর্শ সময়। যতটা জানি, যুব দলগুলো নিয়ে তারা (সরকার) সারা দেশে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলার আয়োজন করছে। এটি আমাদের বিশ্বকাপে যাওয়ার জন্য বড় ভূমিকা পালন করবে।
৮






