সার ডিলারদের সুখবর দিলেন কৃষি সচিব

ফাইল ছবি
সার ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতাদের সুখবর দিলেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ। তিনি জানিয়েছেন, নতুন নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত আগের মতোই সার বিক্রি ও বিতরণ করতে পারবেন খুচরা বিক্রেতারা। এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করবে মন্ত্রণালয়।
গতকাল রবিবার আগামীর সময়ের সঙ্গে আলাপকালে কৃষি সচিব আরও জানিয়েছেন, বিসিআইসি ও বিএডিসি সমন্বয় করে একটি যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন ও সার সরবরাহ ব্যবস্থাপনা দাঁড় করাতে চায়। তবে এর আগে বিদ্যমান নীতিমালাগুলো অধিকতর পর্যালোচনা করে একটি সুপারিশসহ প্রতিবেদন তৈরি করছে মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটি।
এর আগে সংসদের প্রথম অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ জানিয়েছেন, কৃষকদের মধ্যে যথাসময়ে সার ও বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। ওইদিন তিনি বলেছিলেন, “সার বিতরণ ব্যবস্থা আরও সময়োপযোগী ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে ‘সার ডিলার ও সার বিতরণসংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৫’ প্রবর্তন করা হয়েছে।”
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণসংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা ২০২৫ বাতিলের দাবিতে গত ১১ মে সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন খুচরা সার বিক্রেতারা।
এতে বক্তারা জানালেন, একটি গোষ্ঠীকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে ২০২৫ সালে নীতিমালা করেছিল সরকার। এটি বাস্তবায়ন হলে বেকার হয়ে যাবেন ৪৬ হাজার খুচরা সার বিক্রেতা। ওই নীতিমালা বাতিল করে যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। একই সঙ্গে দাবি না মানা হলে আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। এ ছাড়া কৃষকদের কাছে সার বিক্রয় ও সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেন ওই কর্মসূচি থেকে।
সম্প্রতি সার নীতিমালা নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের করণীয় বিষয়ে অধিকতর পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত সচিব সেলিম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে কৃষি মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব সেলিম খান বলেছেন, ‘খুচরা সার বিক্রেতাদের বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে। সব অংশীজনের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে সরকার। এ বিষয়ে দ্রুতই সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করব।’




