আমারি হোটেলে পারমিট ছাড়া মদ্যপান, কিংফিশার বারে ১৪ লিটার মদ উদ্ধার

পাঁচ তারকা হোটেল আমারিতে পারমিট ছাড়া মদ্যপানের অভিযোগে সাতজনকে পাওয়া গেছে।
রাজধানীর অভিজাত হোটেল ও বারে মদ্যপান এবং মদ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আইন ও লাইসেন্সের শর্ত মানা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় পাঁচ তারকা হোটেল আমারিতে পারমিট ছাড়া মদ্যপানের অভিযোগে সাতজনকে পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে কিংফিশার বারে বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার কেরু ব্র্যান্ডের বিলাতী মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্লিজ আর্ট বার বন্ধ পাওয়া গেলেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে সংগ্রহ করা হয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয় এসব অভিযান পরিচালনা করে। ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানগুলো চালানো হয়।
আজ বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান জানিয়েছেন, হোটেল আমারিতে তল্লাশি চালিয়ে পারমিট ছাড়া মদ্যপানরত সাতজনকে পাওয়া যায়। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।
কিংফিশার বারে অভিযান চালিয়ে বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার কেরু ব্র্যান্ডের বিলাতী মদ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মদের বৈধতা ও সংশ্লিষ্ট অনিয়মের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
অভিযানকালে ব্লিজ আর্ট বার বন্ধ পাওয়া যায়। তবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ও সম্ভাব্য অনিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ যাচাই করে কোনো অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।
ডিএনসি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী প্রযোজ্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান বলেছেন, মাদকের অপব্যবহার রোধ, লাইসেন্সের শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করা এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ও তদারকি অব্যাহত থাকবে।




