Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
অভাবেও সবুজ দেশ গড়ছেন বিষ্ণু হাজরা
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

খাদ্যচক্রে বিষের থাবা

ওবায়দুর রহমান
ওবায়দুর রহমান
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ২২:৫৬
খাদ্যচক্রে বিষের থাবা

দেশে তদারকি সংস্থার প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতায় অবাধে ব্যবহৃত হচ্ছে আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ১৭টি ‘হাইলি হ্যাজার্ডাস পেস্টিসাইড’ বা অতি বিপজ্জনক বালাইনাশক। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত বালাইনাশকে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো ভারী ধাতু আছে কি না, তা পরীক্ষা করার ব্যবস্থা দেশের কোনো বন্দরেই নেই। বন্দরে কোনো ল্যাবরেটরি বা প্রটোকল গড়ে না ওঠায় এবং সামগ্রিক আইনি দুর্বলতায় দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য এবং নিরাপদ খাদ্যের ভবিষ্যৎ এখন বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে।

বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি বা পিটাকের ৯০তম বিশেষ সভায় দেশের কৃষি খাতের এই উদ্বেগজনক চিত্রটি সামনে এসেছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক বৈশ্বিকভাবে অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত ১৭টি মূল রাসায়নিক উপাদান বা মলিকিউল বাংলাদেশে এখনো সম্পূর্ণ বৈধভাবে বিক্রি ও ব্যবহৃত হচ্ছে। সরকারি নথি অনুযায়ী, এই ১৭টি ক্ষতিকর উপাদানের অধীনে দেশে ১ হাজার ৭৪১টি বাণিজ্যিক ব্র্যান্ড নিবন্ধিত রয়েছে এবং সাধারণ কৃষকরা প্রতিনিয়ত তা মাঠপর্যায়ে জমিতে ব্যবহার অব্যাহত রেখেছেন।

এ ধরনের রাসায়নিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে দেশে অসংক্রামক ব্যাধিতে মৃত্যুর হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে ৬৫ থেকে ৭৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জরিপ অনুযায়ী, দেশের দরিদ্র পরিবারগুলোর মাসিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যয়ের এক বড় অংশ চলে যাচ্ছে এসব রোগের চিকিৎসায়, যা গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৩ হাজার ৪৯৪ টাকা বা তাদের মোট পারিবারিক ব্যয়ের প্রায় ১১ শতাংশের সমান। খাবারে বিষক্রিয়া ও বালাইনাশকের অবাধ প্রবেশ প্রতি বছর অসংখ্য মানুষকে ক্যানসার, মারাত্মক কিডনি রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো মরণব্যাধিতে আক্রান্ত করছে এবং দেশে আশঙ্কাজনক হারে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম দিচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও রোগতত্ত্ববিদ ড. মুশতাক হোসেন আগামীর সময়কে বলেছেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ার বিষয়টি সমাধানে আমাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এই সংকট মোকাবিলায় অবিলম্বে কিছু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল নিয়োগ দিতে হবে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষই এই সমন্বয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সংস্থা। তাদের শক্তিশালী করতে হবে।

ড. মুশতাক হোসেন উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ব্লক সুপারভাইজার, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণী চিকিৎসক এবং সিটি করপোরেশনের খাদ্য কর্মকর্তাসহ প্রায় প্রতিটি সংস্থায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রয়েছেন। নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে এনে এই কর্মকর্তাদের মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় তৈরি করতে হবে।

ড. মুশতাক হোসেন আরও বলেছেন, শুধু জরিমানা করে এই অপরাধ বন্ধ করা যাবে না। কারখানা থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের কৃষকদেরও প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা দিতে হবে। একই সঙ্গে উৎপাদনস্থল, পরিবহন ও পরিবেশন কেন্দ্রে কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। অনেক সময় সবকিছু ল্যাবে পরীক্ষা করারও প্রয়োজন হয় না; অভিজ্ঞতার আলোকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা অনেক অনিয়ম সহজেই বুঝতে পারেন।

ভোক্তাদের সচেতনতার বিষয়ে ড. মুশতাক হোসেন একটি অভিনব পরামর্শ দিয়ে বললেন, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কোনো প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক উপাদান পেলে প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি বন্ধ না করে সামনে একটি সতর্কতামূলক নির্দেশিকা টানিয়ে দিতে পারে। এতে করে ভোক্তারা সচেতন হয়ে আর ওই প্রতিষ্ঠানে যাবেন না এবং বিক্রেতারাও বাধ্য হয়ে সতর্ক হবেন।

এই জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, রাতারাতি পুরো পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে কাজ এখনই শুরু করতে হবে। আমরা যদি এখনই পদক্ষেপ না নিই, তবে সামনে আমাদের জন্য আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে কৃষি ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৩২৭টি বালাইনাশক মলিকিউল নিবন্ধিত থাকলেও সরকারি ল্যাবরেটরিতে মাত্র ৭০টি কেমিক্যাল মলিকিউল পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে। ফলে বাকি ২৫৭টি মলিকিউলের কার্যকারিতা কিংবা দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিরূপণের আধুনিক সুযোগ ও আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন দেশের ল্যাবগুলোর নেই। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, আমদানিকৃত বালাইনাশক দেশে প্রবেশের আগে বন্দরে সেগুলোর গুণগত মান কিংবা তাতে ক্ষতিকারক সিসা, ক্যাডমিয়াম বা আর্সেনিকের মতো ভারী ধাতু রয়েছে কি না, তা যাচাই করার কোনো ল্যাব বাংলাদেশে নেই। এমনকি জব্দকৃত ভেজাল বালাইনাশক ও রাসায়নিক বর্জ্য পরিবেশসম্মত উপায়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করার জন্য কোনো ইনসিনারেশন অবকাঠামো আজ পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি।

এরই সমান্তরালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ের এক বাস্তব সংকট তুলে ধরেন। দেশের বাজারে ঢেঁড়সসহ এমন অনেক দ্রুত বর্ধনশীল সবজি রয়েছে, যা পরিপক্ব হওয়ার মাত্র তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই বাজারজাত করতে হয়। কিন্তু কীটনাশক প্রয়োগের পর যে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ফসল তোলা নিষেধ থাকে, তা কৃষকদের পক্ষে বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, বাজারে এত স্বল্পমেয়াদে কার্যকর এবং নিরাপদ কোনো বিকল্প বালাইনাশক নেই।

বিগত পাঁচ বছরের সরকারি ল্যাবরেটরির নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের সবজির প্রায় ১০ শতাংশ এবং ফলের ৪ শতাংশ নমুনায় সহনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক বিষের অবশিষ্টাংশ রয়ে গেছে। এমনকি পান এবং শুঁটকির নমুনায়ও মারাত্মক কীটনাশক ধরা পড়েছে।

বর্তমান বালাইনাশক আইন কার্যকর থাকলেও কোনো পরিদর্শক মাঠপর্যায়ে নকল বা নিষিদ্ধ কীটনাশক হাতেনাতে জব্দ করলেও অপরাধীকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আর্থিক জরিমানা করতে পারেন না। এই আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা পার পেয়ে যাচ্ছেন এবং নিরাপদ খাদ্যের আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা দিতে না পারায় বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি সম্ভাবনা কৃষি খাত বিশ্ববাজারে বড় ধরনের ধাক্কা খাচ্ছে।

এই মারাত্মক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি জরুরি ভিত্তিতে বেশ কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খুব দ্রুত একটি কার্যকর ও যুগোপযোগী ‘বালাইনাশক বিধিমালা ২০২৬’ চূড়ান্ত করা হবে এবং বাজারে থাকা ওই ১৭টি অত্যন্ত বিপজ্জনক বালাইনাশক বাজার থেকে ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার বা ফেইজ আউট করার কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া আমদানিকৃত বালাইনাশক দেশে প্রবেশের আগেই বন্দরে ভারী ধাতুর উপস্থিতি পরীক্ষা করার জন্য দ্রুত প্রটোকল তৈরি, ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং নিরাপদ ও দ্রুত অবক্ষয়যোগ্য জৈব বালাইনাশকের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষাবিদেশখাদ্য
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৬ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    স্বাধীন বেলুচিস্তান এখন পর্যন্ত ফেসবুকের কল্প-গল্প

    স্বাধীন বেলুচিস্তান এখন পর্যন্ত ফেসবুকের কল্প-গল্প

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০০:১৮

    জুলাই শহীদদের ত্যাগের পথ ধরে দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    জুলাই শহীদদের ত্যাগের পথ ধরে দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০০:১৭

    যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ

    যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ

    ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:০৭

    advertiseadvertise