Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিজ্ঞান+প্রযুক্তি

চিকিৎসা বিজ্ঞান

হামের টিকা যেভাবে এলো

ফিচার ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ১০:১৮
হামের টিকা যেভাবে এলো

১৯৫৪ সালে ভার্জিনিয়ায় শিশুদের পোলিও টিকা দেওয়া হচ্ছে -সংগৃহীত

হাম একসময় পৃথিবীর অন্যতম ভয়ংকর সংক্রামক রোগ ছিল। ভাইরাসজনিত এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ত এবং শিশুদের মধ্যে মারাত্মক জটিলতা এমনকি মৃত্যুর কারণও হতো। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা এর প্রতিরোধে কার্যকর উপায় খুঁজছিলেন। আর এর ফল হিসেবে পরবর্তী সময়ে হামের টিকা আবিষ্কৃত হয়।

হামের ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৫৪ সালে, মার্কিন বিজ্ঞানী জন এফ. এন্ডার্সের গবেষণার মাধ্যমে। এ আবিষ্কারই টিকা তৈরির ভিত্তি। এরপর বিজ্ঞানীরা ভাইরাসকে দুর্বল করার চেষ্টা শুরু করেন, যাতে এটি রোগ না ঘটিয়ে শরীরে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি করতে পারে।

১৯৬৩ সালে তৈরি হয় প্রথম সফল হামের টিকা। এতে জীবন্ত কিন্তু দুর্বল করা ভাইরাস ব্যবহার করা হয়

১৯৬৩ সালে তৈরি হয় প্রথম সফল হামের টিকা। এতে জীবন্ত কিন্তু দুর্বল করা ভাইরাস ব্যবহার করা হয়, যা শরীরে প্রবেশ করে রোগ সৃষ্টি না করে ইমিউনিটি গড়ে তোলে। এটি ছিল চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি বড় অগ্রগতি। পরে ১৯৬৮ সালে টিকাটি আরও উন্নত করা হয়। এতে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা বাড়ে।

বর্তমানে হাম প্রতিরোধী মিজলস ভ্যাকসিন বিশ্ব জুড়ে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির অংশ। এটি সাধারণত এমএমআর (মিজলস, মাম্পস, রুবেলা) ভ্যাকসিনের মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার পাশাপাশি ‘হার্ড ইমিউনিটি’ তৈরি করে সমাজকেও রক্ষা করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) হামের টিকাকে জনস্বাস্থ্যের অন্যতম সফল অর্জন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর ফলে বিশ্ব জুড়ে হামে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

তবে এই টিকা একদিনে তৈরি হয়নি। এটি ছিল বহু বছরের গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ব্যর্থতার পর সফলতার ফল। আজও কিছু অঞ্চলে টিকা কম গ্রহণের কারণে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়, তাই টিকাদান কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে সম্প্রতি হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শুধু তাই নয়, এই রোগে বেশ কিছু শিশুর মৃত্যু নতুন আশঙ্কা তৈরি করেছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানহামের টিকাভাইরাস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise