আবাসন খাতে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় রিহ্যাবকে গুরুত্বের নির্দেশ

সংগৃহীত ছবি
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও আবাসন খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলোর কমপ্লায়েন্স, রিপোর্টিং, কেওয়াইসি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। একই সঙ্গে অপ্রদর্শিত আয়ের প্রবণতা বন্ধের লক্ষ্যে নিবন্ধন ব্যয় কমানোর আহ্বান জানিয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বিএফআইইউ কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় রিহ্যাব প্রতিনিধিদলকে বিএফআইইউ এর পক্ষ থেকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল বলেছেন, ‘দেশের আবাসন খাতকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খাতে রূপান্তরে রিহ্যাব সবসময় সরকারের আইন ও নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে বিএফআইইউর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল করতে রিহ্যাব কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।’
একই সঙ্গে তিনি নিবন্ধন ব্যয় কমিয়ে অপ্রদর্শিত আয়ের প্রবণতা বন্ধে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘রিয়েল এস্টেট খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য পূরণে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইন অনুযায়ী রিপোর্টিং ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ করে তুলতে রিহ্যাব ধারাবাহিকভাবে কাজ করবে।’
সভায় বিএফআইইউর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন, রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মো. বরকতউল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট-৩ এ এফ এম ওবায়দুল্লাহ, পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান, মো. গোলাম কিবরিয়া মজুমদার, এ জেড এম কামরুদ্দিন, ক্যাপ্টেন মো. শাহ আলম, মো. খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, এম ফখরুল ইসলাম এবং মো. এমদাদুল হোসেন সোহেল উপস্থিত ছিলেন।
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট খাতের রিপোর্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব, করণীয় ও কমপ্লায়েন্সসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।




