কর্মী নিয়োগে ডিএসইর এমডির আইন ভঙ্গ

সংগৃহীত ছবি
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) একদিকে চলছে কর্মী ছাঁটাইয়ের আতঙ্ক, অন্যদিকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) বিরুদ্ধে উঠেছে আইন ভেঙে নিজের দুই আত্মীয়কে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ। কোনো ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০১০ সালের পর ডিএসইতে এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম।
গত ২৮ ডিসেম্বর ডিএসইর ইতিহাসে প্রথম নারী এমডি হিসেবে যোগ দেন নুজহাত আনোয়ার। তবে দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যেই নিয়ম ভেঙেছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মে ডিএসইতে ‘এক্সিকিউটিভ’ পদে যোগ দিয়েছেন মোহাম্মদ রকিবুল হাসান পারভেজ ও পৃথুলা হৃদি। তারা সম্পর্কে এমডির আত্মীয়। এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে ডিএসইর নমিনেশন অ্যান্ড রিমিউনারেশন কমিটিও অবগত নয়।
এমডির পদক্ষেপে অস্বস্তিতে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এক পরিচালক বলেছেন, ‘এমডি সৎ এবং যোগ্য। কিন্তু সবাইকে পাশ কাটিয়ে বিজ্ঞপ্তি ছাড়া কেন এই নিয়োগ দেওয়া হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়।’
অভিযোগ উঠেছে, শূন্য পদগুলোয় নিজের লোক বসাতেই এমডি ডিএসইতে কর্মী ছাঁটাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন। পর্ষদের এক পরিচালকের সহায়তায় এরই মধ্যে ২৮ কর্মীকে বাদ দেওয়ার একটি তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে।
জানতে চাইলে এমডি নুজহাত আনোয়ার ডিএসইর উপমহাব্যবস্থাপক শফিকুর রহমানের মাধ্যমে জানান, ওই দুজনকে ছয় মাসের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।




