Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

হাতিয়ায় তালাবদ্ধ ১১ স্কুল-কলেজের ডিজিটাল ল্যাব, অকেজো কম্পিউটার

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:৫৭
হাতিয়ায় তালাবদ্ধ ১১ স্কুল-কলেজের ডিজিটাল ল্যাব, অকেজো কম্পিউটার

হাতিয়ার একটি বিদ্যালয়ের ডিজিটাল ল্যাব। ছবি: আগামীর সময়

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বেশিরভাগ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল ল্যাবগুলো পড়ে আছে অচল। দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ থাকায় পরিণত হয়েছে পোকামাকড়ের আবাসস্থলে। ব্যবহার না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে কম্পিউটার। অপারেটর না থাকায় ল্যাবগুলোর কার্যক্রম বন্ধ- বলছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

আইসিটি শিক্ষা সম্প্রসারণ ও ডিজিটাল দক্ষতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১-২০২২ অর্থবছর পর্যন্ত দুই ধাপে স্থাপন করা হয় ল্যাবগুলো। এর অংশ হিসেবে হাতিয়া উপজেলার ১৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পায় ডিজিটাল ল্যাব। সরবরাহ করা হয় স্মার্ট টিভি ও স্মার্ট বোর্ডও। 

উপজেলায় এখন কার্যক্রম চালু আছে কেবল দুটি ল্যাবের। ১১টিই তালাবদ্ধ দীর্ঘদিন। প্রায় ২২৫টি কম্পিউটারের বেশিরভাগই অকেজো। 


আরও পড়ুন

৫ শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক-কর্মচারী ১৭

১৮ জুন ২০২৬


গতকাল বৃহস্পতিবার হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে গিয়ে দেখা গেল, ডিজিটাল ল্যাবের তালায় ধরেছে জং। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এইচ. এস. সাইফুল আলম ও সাবেক অধ্যক্ষ তোফায়েল হোসেন জানালেন, এখানে ১৭টি কম্পিউটার ও একটি স্মার্ট টিভি দেওয়া হয়েছিল। অপারেটর না থাকায় সেগুলো ব্যবহার করা হয়নি। এখন দুয়েকটি কম্পিউটার সচল।

কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নজরুল ও ফয়সাল জানালেন, তারা কখনো ল্যাবরুম খোলা দেখেননি।

হাতিয়ার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঁচটি কম্পিউটার সচল- বললেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সোহেল উদ্দিন। ‘মাঝে মধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয় এখানে। তবে অপারেটর পদ সৃষ্টি না হওয়ায় নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে সমস্যা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন

ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ব্রাজিল

১৯ জুন ২০২৬


অচল ল্যাবগুলো আছে হাতিয়া ডিগ্রি কলেজ, প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম মহিলা কলেজ, হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজ, কেএসএস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, এমসিএস উচ্চ বিদ্যালয়, ছৈয়দিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, চৌমুহনী উচ্চ বিদ্যালয়, এসটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং আয়েশা ফেরদৌস উচ্চ বিদ্যালয়সহ মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানে। 

সচল ল্যাব পাওয়া গেছে সুখচর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও আব্দুল মোতালেব উচ্চ বিদ্যালয়ের। কম্পিউটার শিক্ষক ও অপারেট থাকায় নিয়মিত ল্যাবে ক্লাস হচ্ছে বলে জানালেন আব্দুল মোতালেব উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী কুশি ও বিথি।


আরও পড়ুন

বিবর্ণ রোনালদোর শেষের শুরু

১৯ জুন ২০২৬


উপজেলার ১৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটিতে ১৭টি করে কম্পিউটার ও একটি করে স্মার্ট টিভি দেওয়া হয়েছিল। শুধু সুখচর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘স্কুল অব ফিউচার’ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত চারটি ডেস্কটপ কম্পিউটার ও ছয়টি স্মার্ট বোর্ড দেওয়া হয়। তৎকালীন বাজারমূল্যে এসব সরঞ্জাম কিনতে ল্যাব প্রতি ১৫ লাখ টাকা করে প্রায় দুই কোটি টাকা খরচ পড়েছে সরকারের। এসব তথ্য জানা গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কাছে। 

তবে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেননি উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) মো. মিজানুর রহমান। তার মন্তব্য, ডিজিটাল ল্যাব স্থাপনের এ প্রকল্প তখন আগারগাঁওয়ের আইসিটির সদরদপ্তর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সব তথ্য আছে সেখানে।

নোয়াখালী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) মো. আবুল কাশেমের ভাষ্য, ‘আমি অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। অফিসের অন্যান্যদের থেকে জেনেছি- প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় আমাদের অফিসকে তেমন কিছু জানানো হয়নি। ফলে সরঞ্জামগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে ভূমিকা রাখা যাচ্ছে না।’

ডিজিটাল ল্যাবহাতিয়ানোয়াখালী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise