Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

কুষ্টিয়া

পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র লিখে দিচ্ছিলেন ৩ মাদরাসা শিক্ষক, হাতেনাতে ধরা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ২১:৪৫
পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র লিখে দিচ্ছিলেন ৩ মাদরাসা শিক্ষক, হাতেনাতে ধরা

ছবি: আগামীর সময়

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চুয়ামল্লিকপাড়া রেজওয়ানুল উলুম দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রে চলমান দাখিল জীববিজ্ঞান পরীক্ষার সময় বড় ধরনের নকল চক্রের ঘটনা ফাঁস করেছে র‍্যাব-১২।

পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীরা যখন উত্তর দিচ্ছিল, তখন কেন্দ্রের বাইরে বসে এক পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র লিখে দিচ্ছিলেন তিনজন শিক্ষক। ঘটনাস্থল থেকে তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. বজলুর রহমান (৪৮), মো. নুরুল ইসলাম (৪৫) এবং মোছা. মাতোয়ারা খাতুন মায়া (৪০)। তারা পরীক্ষাকেন্দ্রের কোনো অফিসিয়াল দায়িত্বে ছিলেন না।

অভিযোগ অনুযায়ী, তারা মহিষকুন্ডি মুসলিম নগর দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানটির সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল ওহাব বিশ্বাসের ছেলে মো. নাসিরুল্লাহর (১৬) জন্য উত্তর লিখছিলেন।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে র‍্যাব-১২ এর একটি দল তাদের নকলের কাজে জড়িত অবস্থায় আটক করে। এরপর ঘটনাস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রভাবশালী একটি মহল আটক শিক্ষকদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এর আগেও একই কেন্দ্রে বাইরে থেকে উত্তরপত্র লিখে এনে জমা দেওয়ার মতো অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এবারের ঘটনায় তা প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রশাসন জানায়।

ঘটনার পরপরই শিক্ষার্থী নাসিরুল্লাহকে পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়। আটক তিন শিক্ষক র‍্যাবের হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

অভিযোগের পর আটক শিক্ষকরা দাবি করেছেন, তারা স্বেচ্ছায় এ কাজে জড়িত ছিলেন না। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদরাসার সুপার আব্দুল ওহাব বিশ্বাস চাপ প্রয়োগ করে তার ছেলের জন্য উত্তর লিখতে বাধ্য করেছিলেন।

অন্যদিকে অভিযুক্ত সুপারিনটেনডেন্টকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।



কুষ্টিয়ামাদরাসা শিক্ষকউত্তরপত্র
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise