নতুন ভিসিকে প্রত্যাখ্যান করে ডুয়েটে শিক্ষার্থীদের ব্লকেড

ডুয়েট শিক্ষার্থীদের ব্লকেড কর্মসূচি
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান করে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
আজ সোমবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ফটক বন্ধ করে দিয়ে অবস্থান নেন তারা।
এর আগে রবিবার রাতে ক্যাম্পাসে কর্মসূচির ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। আজ সকাল থেকেই বিভিন্ন ফটকে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থী ছাড়া অন্য কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। নতুন উপাচার্য যাতে ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারেন, সে জন্য প্রতিটি ফটকে পাহারা দিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।
শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, রবিবারের সংঘর্ষে জড়িত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের স্থায়ী বহিষ্কার, ক্যাম্পাসে সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং সংঘর্ষে আহত ডুয়েট শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, যে উপাচার্যের সময় শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরেছে, তাকে তারা আর ক্যাম্পাসে মেনে নেবেন না। তাদের দাবি, ডুয়েটের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের মধ্য থেকে একজনকে উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে। অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কাউকে এনে উপাচার্য করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
আজ সকাল থেকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশও করছেন শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একজন নাজমুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আমাদের দাবি যৌক্তিক। দাবি পূরণ হলেই আমরা আন্দোলন থেকে সরে যাব। এই আন্দোলনে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই।’
গতকাল রবিবার দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসের বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রদলের নেতারা ছাত্রশিবিরকে দায়ী করেছেন। অন্যদিকে ছাত্রশিবিরও হামলার জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে।
গাজীপুর সদর মেট্রো থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের ভেতরে আন্দোলন করছে। প্রধান ফটকসহ সবগুলো ফটক বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক। ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছে পুলিশ।




