প্রাথমিক শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিতে ট্র্যাকিং ব্যবস্থা

সংগৃহীত ছবি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটরিং করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন নিয়মানুযায়ী, শিক্ষকদের স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করে হাজিরা খাতার ছবি নির্ধারিত বাধ্যতামূলকভাবে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) গতকাল সোমবার এই উপস্থিতি ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করেছে।
অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়, গতকাল থেকে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে এ কার্যক্রম। সারা দেশে প্রায় চার লাখ শিক্ষকের তথ্য সংগ্রহ হচ্ছে। মূল টার্গেট হলো, শিক্ষকদের সময়মতো হাজিরা ও নিয়মিত ক্লাস নেওয়া নিশ্চিত করা। শিক্ষকদের অবশ্যই সরকারি চাকরিবিধি মেনে চলতে হবে।
ঢাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, এই মনিটরিংয়ের জন্য এর মধ্যে প্রশাসনিক স্তর অনুযায়ী খোলা হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। উপজেলা বা থানা সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিইও), উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার (টিইও), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) এবং প্রাথমিক শিক্ষার আঞ্চলিক উপপরিচালকরা (ডিডি) গ্রুপগুলো দেখভাল করছেন। প্রতিদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটের মধ্যে বিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষক উপস্থিত আছেন এবং কতজন অনুপস্থিত— সে তথ্য গ্রুপে পাঠাতে হবে। তথ্যের প্রমাণ হিসেবে বিদ্যালয়ের মূল হাজিরা খাতার ছবি তুলে পাঠাতে হবে।
প্রধান শিক্ষকরা এই তথ্য পাঠাবেন এটিইওকে। এটিইও সেই তথ্য পাঠাবেন টিইওর কাছে। টিইও আবার ডিপিইওকে এবং ডিপিইও পাঠাবেন ডিডিকে। ডিডির মাধ্যমে এ তথ্য সরাসরি অধিদপ্তরে পৌঁছাবে এবং ঠিক পৌনে ১০টায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) নিজে এই তথ্য পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষকদের এই হাজিরা-সংক্রান্ত তথ্য একটি নির্ধারিত গুগল শিটেও আপলোড করতে হবে।




