ইসলামপুরে পশু কোরবানি দিতে গিয়ে ইমামসহ আহত ১৬

জামালপুরের ইসলামপুরে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় ছুরিকাঘাত এবং গরুর আঘাতে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আহতরা ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামপুর পৌর শহরের মোশারফগঞ্জ এলাকার সিদ্দিক হোসেন (২৫), ইসলামপুর সদর ইউনিয়নের কসাই কুব্বাত (৪৫), বেলগাছা ইউনিয়নের কাছিমা এলাকার ওয়াহেদ (৪০) এবং সাপধরী ইউনিয়নের শিশুয়া এলাকার ইমাম মাওলানা ইসমাইল হোসেন (৪৫)।
মোশারফগঞ্জ এলাকার সিদ্দিক হোসেন জানান, কোরবানির জন্য গরু প্রস্তুত করার সময় হঠাৎ দড়ি ছিঁড়ে গেলে গরুটি দাঁড়িয়ে যায়। একপর্যায়ে গরুর শিংয়ের আঘাতে তার ডান হাতের মধ্যের আঙুলের হাড় ভেঙে যায়।
ইসলামপুর সদর ইউনিয়নের কাঁচিহারা এলাকার কসাই কুব্বাত জানান, কোরবানির মাংস কাটার সময় ধারালো ছুরির আঘাতে তার বাম হাতের কবজির অংশ কেটে যায়।
বেলগাছা ইউনিয়নের কাছিমা এলাকার ওয়াহেদের ভাষ্য, সকালে বৃষ্টির কারণে মাটি পিচ্ছিল ছিল। নামাজ শেষে বালি ছিটিয়ে জায়গাটি শক্ত করা হয়। পরে পশু কোরবানির প্রস্তুতির সময় গরুটি মাথা ঝাঁকালে ইমাম সাহেবের হাতে থাকা ধারালো ছুরি তার কবজিতে লাগে। এতে তার দুটি নখ কেটে পড়ে যায়।
সাপধরী ইউনিয়নের শিশুয়া এলাকার ইমাম মাওলানা ইসমাইল হোসেন জানান, পশু কোরবানির সময় গরুর পেছন দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ লাথি খেয়ে পড়ে যান। এ সময় হাতে থাকা ছুরির আঘাতে তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে গভীর ক্ষত হয়।
ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. জয়নাল আবেদীন জানান, আহত অবস্থায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৬ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের সেলাইসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে কাউকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়নি। বেশিরভাগ আহতেরই কাটাছেঁড়াজনিত জখম।







