Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
রাস্তার পাশে খোরশেদের সোয়া লাখ তালগাছ
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

ঢাকা ছাড়া বাঁচবে না হৃদরোগীরা!

সঞ্জিব দাস, ফরিদপুর
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ২৩:০৬
ঢাকা ছাড়া বাঁচবে না হৃদরোগীরা!

ফরিদপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা শ্যামল হলদার। কিছুদিন আগে জানতে পারেন তার হার্টের সমস্যার কথা। এনজিওগ্রামের জন্য তাড়াও দিয়েছেন ডাক্তার। ছুটে যান ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তবে সেখান হতাশা নিয়েই ফিরতে হয়েছে তাকে। হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারি পর্যায়ে আর কোনো ক্যাথল্যাবও নেই শহরটিতে। বাধ্য হয়ে চিকিৎসা নিতে যান ঢাকার বেসরকারি হাসপাতালে।

দক্ষিণাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের উন্নত স্বাস্থ্যসেবার জন্য রয়েছে কয়েকটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এর মধ্যে অন্যতম ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। কম খরচে হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য আশপাশের জেলা থেকে আসছেন রোগীরা। তবে এক দশকের বেশি সময় ধরে বন্ধ অত্যাধুনিক ক্যাথল্যাব। এ অবস্থায় জরুরি চিকিৎসার জন্য রোগীদের ছুটতে হচ্ছে ঢাকায়। তাতে নষ্ট হচ্ছে সময়, খরচের সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকিও। হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসা পাচ্ছেন না এই অঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ। তাহলে ঢাকা ছাড়া হৃদরোগীরা বাঁচবে না— এমনটিই বলছিলেন তারা।

২৫০ শয্যা নিয়ে ১৯৯৪ সালে চালু হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ২০১৭ সালে নির্মাণ করা হয় নতুন ভবন। উন্নীত হয় ৫১৭ শয্যায়। ২০২৩ সালে আরেক দফা বাড়ানো হয় ৪৮৩ শয্যা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপন থেকে জানা যায় এ তথ্য। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রওনক আফরোজ স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ২০২৩ সালের ১৭ মে।

তবে কাগজ-কলমে ১ হাজার বেডের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে সচল ৫১৭টি। অন্যান্য সেবা নিয়েও রোগীদের রয়েছে অভিযোগ। তারা বলছেন, দুপুর ২টার পর বন্ধ হয়ে যায় এক্স-রে, সিটি স্ক্যানসহ প্যাথলজি বিভাগ। রোগীদের তখন ছুটতে হয় বেসরকারি হাসপাতালে। নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক। নার্স সংকট তেমন না থাকলেও ওয়ার্ড বয়, ক্লিনার, আয়াসহ অনেক পদই শূন্য। এজন্য সামর্থ্যবানরা ছুটছেন বেসরকারি হাসপাতালে। যেখানে সময় করে রোগী দেখেন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরাই।

খালি নেই কোনো বেড। দিনে আউটডোরে চিকিৎসা নেন ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার রোগী। সেবা দেওয়ার জন্য নতুন ভবনে ৫০০ ও পুরনো ভবনে আছে ২৫০ শয্যা। বাকি শয্যা প্রস্তুত হয়নি এখনো। এ কারণে হাসপাতালের মেঝেসহ বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করতে হচ্ছে রোগীদের। হাসপাতালে গিয়ে চোখে পড়ে এমন চিত্র।

শুরুতেই ভোগান্তিতে পড়তে হয় আন্তঃবিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের। তারা বললেন, হাসপাতালটির দুটি ভবনেই আছে জরুরি বিভাগ। এক ভবনের জরুরি বিভাগে গেলে রোগীদের যেতে বলা হয় অন্য ভবনে। জরুরি বিভাগে পাওয়া যায় না কোনো সাহায্যকারী। ওয়ার্ড বয় ও আয়া বিভিন্ন ওয়ার্ডে থাকেন ব্যস্ত। স্বজনদেরই স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার জোগাড় করে রোগীকে নিতে হয় ওয়ার্ডে।

তাদের অভিযোগ, টাকা ছাড়া রোগীর স্ট্রেচার টানেন না অনেক কর্মচারী। এক্স-রে বা অন্য কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কোনো কারণে বেড থেকে স্থানান্তর করাতে হয় স্বজনদেরই। যেসব রোগীর স্বজন বলতে কেউ নেই, তারা কাতরাচ্ছেন বিনা চিকিৎসায়।

হৃদরোগীদের চিকিৎসায় ২০১৬ সালে হাসপাতালে স্থাপন করা হয় অত্যাধুনিক ক্যাথল্যাব। তবে এক দশক ধরে অচল যন্ত্রটি। জরুরি চিকিৎসার জন্য রোগীদের ছুটতে হচ্ছে ঢাকাসহ বড় শহরের বেসরকারি হাসপাতালে। তাতে নষ্ট হচ্ছে সময়, খরচের সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকিও।

ক্ষোভ জানালেন রোগীর স্বজন শামীম বিশ্বাস। তিনি বললেন বড় বোন হঠাৎ করে বুকে অনুভব করেন তীব্র ব্যথা। তড়িঘড়ি নেওয়া হয় ফরিদপুর মেডিকেলে। তবে সেখানে মেলেনি উন্নত চিকিৎসা। পরে যেতে হয়েছে ঢাকায়। এখানে যদি ক্যাথল্যাব চালু থাকত, তাহলে হতো না এত ঝক্কি।’

শুধু চিকিৎসা যন্ত্রই নয়, রয়েছে চিকিৎসক সংকটও। জনবল কাঠামো অনুযায়ী হাসপাতালে প্রথম শ্রেণির চিকিৎসক থাকার কথা ১৯০ জন। তবে আছেন ১৪৯ জন। ৪৩৫ নার্সের বিপরীতে আছেন ৪৩২ জন। চতুর্থ শ্রেণির জনবলও ঘাটতি। ১৯৫ জন থাকার কথা, তবে বাস্তবে আছেন ১২৩ জন। আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে লোকবল নিয়োগও বন্ধ।

অবশ্য সংকট সমাধানের চেষ্টার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ‘লোকবল সংকটের কারণে অনেক সময় সমস্যা হয় সেবা দিতে। চেষ্টা করছি এ সংকট থেকে বের হয়ে আসার জন্য’— বললেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. হুমায়ূন কবির।

তার ভাষ্য, বর্তমানে যে লোকবল রয়েছে তা ৫০০ বেডের জন্য। সেটি দিয়েই কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছে হাসপাতালের প্রশাসন। ১ হাজার বেডের লোকবল নিয়োগ হয়নি এখনো। সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহিনুল ইসলামকে প্রধান করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ১ হাজার বেডের জন্য কী পরিমাণ লোকবল লাগবে, তা নিয়ে কাজ করছে ওই কমিটি।

ক্যাথল্যাবটি দীর্ঘদিন অচল থাকার কথাও স্বীকার করলেন ডা. মো. হুমায়ূন কবির। এটি সচলের জন্যও করছেন চেষ্টা। তার বক্তব্য, ‘আমরা এটি সচল করার জন্য চিঠি দিয়েছি ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপে। কিন্তু তারা জানিয়েছে, মেশিনটি ভালো নেই, তারা পারবে না মেরামত করতে।’

‘যেখান থেকে মেশিনটি কেনা হয়েছে, সেখানে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে ওয়ার্কশপ কর্তৃপক্ষ। আমরা যোগাযোগ করেছি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফিলিপসের সঙ্গেও’— যোগ করেন তিনি।

মেডিকেলহৃদরোগী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    তুরস্কের ড্রোন উৎপাদন হবে বাংলাদেশে

    তুরস্কের ড্রোন উৎপাদন হবে বাংলাদেশে

    ০৭ জুন ২০২৬, ০০:০৮

    সংকট মোকাবিলায় নতুন মডেল

    সংকট মোকাবিলায় নতুন মডেল

    ০৭ জুন ২০২৬, ০০:২৫

    advertiseadvertise