কমিটিতে স্থান না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কাঁদলেন যুবদল নেতা

ফেসবুক লাইভে কান্না করছেন লক্ষ্মীপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য সুমন চৌধুরী— সংগৃহীত
লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের সদ্য ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে জায়গা পাননি সাবেক জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুমন চৌধুরী। এ নিয়ে আজ বুধবার বিকালে ফেসবুক লাইভে এসে কান্না করে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।
লাইভ ভিডিওতে সুমন চৌধুরী জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এই সময়ে হরতাল-অবরোধসহ দলের প্রতিটি কঠিন কর্মসূচিতে থাকার দাবি করেন। পুলিশের ভয়ে দীর্ঘদিন নিজ বাড়িতে রাত কাটাতে না পারার কথাও উল্লেখ করেন।
সুমন বললেন, ‘আমি দলের জন্য ঘাম ঝরিয়েছি, রাজপথে গুলি খেয়েছি। আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দলের প্রতি আমার নিবেদনের কথা বাবা জানতেন। আমাকে কমিটিতে (উপজেলা) মূল্যায়ন না করায় তিনি চরম মানসিক কষ্ট পেয়েছিলেন, যা তার স্ট্রোকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমার বাবা আজ বেঁচে নেই, কিন্তু আমার ওপর অবিচার করা হয়েছে।’
কমিটি থেকে বাদ পড়ার পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাননি বলে অভিযোগ করেন সুমন। তিনি বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণ করা হোক। যদি প্রমাণ করতে পারেন তাহলে আমি যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব। কিন্তু আমাকে কেন বাদ দেওয়া হলো, সেটি জানতে চাই।’
সুমন আরও জানান, জেলা যুবদলের বর্তমান সভাপতি হুমায়ূন কবিরসহ স্থানীয় নেতাদের আহ্বানে তিনি সব সময় রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন সুমন চৌধুরী। পাশাপাশি দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে এ ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার দাবি করেছেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও পৌর যুবদলের আহ্বায়কসহ ১৭ জন স্থান পেলেও রামগঞ্জ থেকে আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুমন চৌধুরী স্থান পান নাই।





