রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রতীকী ছবি
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলা পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। সেইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর তেল শোধনাগারসহ বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে দেশটি। এর ফলে বিশ্বের তেলের বাজার অস্থির হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা সাময়িক স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ অনলাইনে প্রকাশিত এক চিঠিতে জানিয়েছে, আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত রুশ অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়ে একটি লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে।
এর আগে ইউক্রেনে আক্রমণের জবাবে রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরান যুদ্ধের মধ্যে এ নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট রাশিয়ার জন্য এই বিশেষ সুবিধাকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত একগুচ্ছ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর তৈরি করা হুমকি ও অস্থিতিশীলতা মোকাবিলায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং তেলের দাম কম রাখার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
নতুন এই লাইসেন্সটি ১২ মার্চ পর্যন্ত জাহাজে বোঝাই করা তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। এর এক দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত রিজার্ভ থেকে ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেয়।
ইরান পারস্য উপসাগরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ২০ শতাংশ সাধারণত এই প্রণালি দিয়েই পার হয়।

