Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

দুই বছরের সন্তান হত্যা মামলায় বিতর্ক, আইসিই’র বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ

এনডিটিভি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০২:৪৩
দুই বছরের সন্তান হত্যা মামলায় বিতর্ক, আইসিই’র বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এক নারীকে তার দুই বছরের সন্তান ছাড়াই হন্ডুরাসে ফেরত পাঠানোর পর শিশুটির হত্যাকাণ্ড ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। পরে ওই নারীকেই সন্তানের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে বিবৃতি দেয় আইসিই।

হন্ডুরাসের নাগরিক ওয়েন্ডি হার্নান্দেজ রেয়েসের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষকে বারবার অনুরোধ করেছিলেন যেন তাকে সন্তানসহ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাকে একাই হন্ডুরাসে ফেরত পাঠানো হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তাসংস্থা দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।  

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার এসকাম্বিয়া কাউন্টিতে তার চাচার সঙ্গে থাকছিল ওয়েন্ডির দুই বছরের ছেলে অরলিন হোসুয়ে হার্নান্দেজ রেয়েস। গত মার্চে শিশুটিকে হত্যা করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।

তদন্তে জানা যায়, শিশুটির শরীরে একাধিক ভাঙা পাঁজর, অগ্নিদগ্ধ ক্ষত, অগ্ন্যাশয় ছিঁড়ে যাওয়া এবং সম্ভাব্য যৌন নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় তার চাচাকে।

ঘটনার পর এক বিবৃতিতে আইসিই জানিয়েছে, শিশুটিকে ‘পরিত্যাগ’ করেছেন তার মা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে সন্তানকে রেখে গেছেন একজন সহিংস ব্যক্তির কাছে।

আইসিই পরিচালক টড এম লায়ন্স বলেছেন, সন্তানসহ স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সুযোগ থাকলেও তা গ্রহণ করেননি ওয়েন্ডি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়েন্ডি হার্নান্দেজ রেয়েস। তিনি বলেছেন, কখনো সন্তানকে ছেড়ে যেতে চাননি এবং কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার সন্তানকে সঙ্গে নেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন তিনি।

তিনি আরও বলেছেন, ২০২২ সালে আশ্রয় আবেদন করে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর একটি আদালতের শুনানিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে দেওয়া হয় বহিষ্কার আদেশ। পরে আলাবামায় বোনের সঙ্গে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে হস্তান্তর করা হয় আইসিই’র কাছে। এরপর তাকে লুইজিয়ানার একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয় এবং সেখান থেকে পরে পাঠানো হয় হন্ডুরাসে।

ওয়েন্ডি বলেছেন, ‘আমার সন্তানকে ছাড়া থাকতে চাইনি আমি। বারবার বলেছি, আমার ছেলেকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করুন।’

‘আমি একজন ভালো মা, আমার সন্তানকে খুনীর কাছে রেখে যাইনি আমি,’ যোগ করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রআইসিইশিশুহত্যা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise