Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

শুধু ইরান নয়, ইরাকেও কেন গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন খামেনি?

আলজাজিরা
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০:০৯
শুধু ইরান নয়, ইরাকেও কেন গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন খামেনি?

সংগৃহীত ছবি

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি শুধু ইরানেই নন, ইরাকেরও একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বিশেষ করে শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে তার প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য। এমন মন্তব্য করেছেন কাতারের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাসগ্রেভ বললেন, ‘ইরাকে শিয়া মুসলমানই সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশটির শিয়া সম্প্রদায়ের সঙ্গে খামেনির দীর্ঘদিনের ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও আদর্শিক সম্পর্ক ছিল। এ কারণেই ইরাকের অনেক শিয়ার কাছে তিনি শুধু ইরানের নেতা নন, একজন প্রভাবশালী ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও বিবেচিত হতেন।’

তিনি জানালেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় ইরাক নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। এই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান— দুই দেশই সেখানে নিজেদের প্রভাব ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারে আগ্রহী ছিল। অন্যদিকে ইরান তাদের সমর্থিত শিয়া রাজনৈতিক দল ও মিলিশিয়াদের নিয়ন্ত্রণে রেখে নিজেদের অবস্থান শক্ত রাখতে চেয়েছে।


আরও পড়ুন

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের ‘ভেটো’ আর মানছে না যুক্তরাষ্ট্র?

০৪ জুলাই ২০২৬

মাসগ্রেভের মতে, এমন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইরাকে খামেনির জানাজার আয়োজন শুধু শোক প্রকাশের অনুষ্ঠান নয়। এটি ইরান ও ইরাকের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, ধর্মীয় এবং কৌশলগত সম্পর্কেরও প্রতীক। জানাজা ঘিরে যে আয়োজন হয়েছে, তা দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগ ও প্রভাবের বিষয়টিকেও সামনে এনেছে।

শিয়া মুসলমানদের কাছে নাজাফ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র। ইমাম হুসাইন (রা.)-মাজারকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই শহর শিয়া ধর্মীয় শিক্ষা ও নেতৃত্বের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তাই নাজাফে খামেনিকে ঘিরে শোকানুষ্ঠান ও জানাজার আয়োজনের মধ্যে ধর্মীয় আবেগের পাশাপাশি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তাও রয়েছে।

মাসগ্রেভের ভাষ্য, এই আয়োজনের মাধ্যমে ইরান দেখাতে চেয়েছে যে তাদের প্রভাব শুধু নিজস্ব সীমান্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শিয়া সম্প্রদায়, ধর্মীয় নেটওয়ার্ক এবং মিত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও তাদের প্রভাব বিস্তৃত। ইরাকে খামেনির জানাজার আয়োজন সেই বৃহত্তর কৌশলগত বার্তারই একটি অংশ।

তার মতে, খামেনির প্রতি ইরাকের শিয়া সম্প্রদায়ের শ্রদ্ধা এবং দেশটিতে তার জানাজা ঘিরে ব্যাপক আয়োজন প্রমাণ করে, ইরান-ইরাক সম্পর্ক শুধু রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কূটনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়। দুই দেশের মধ্যে ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্কও গভীরভাবে জড়িত, যা আঞ্চলিক রাজনীতিতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ইরানখামেনিইরাক
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise