Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

যুদ্ধবিরতির পর গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হাজার ছাড়াল

রয়টার্স
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১৯:৪১
যুদ্ধবিরতির পর গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হাজার ছাড়াল

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের স্বজনদের আহাজারি- রয়টার্স

গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে উপত্যকাটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এদিকে সর্বশেষ হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গাজা সিটির প্রধান ওমর আল-মুখতার সড়কে একটি গাড়িতে ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়। এতে তিনজন নিহত হন। নতুন করে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা চললেও অব্যাহত রয়েছে সহিংসতা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৮ জনে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলের দাবি, একই সময়ে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের হামলায় নিহত হয়েছেন দেশটির চার সেনা সদস্য।

ইসরায়েল বলছে, হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতেই তারা এসব হামলা চালাচ্ছে। তবে সাধারণত নিজেদের নিহত যোদ্ধাদের সংখ্যা প্রকাশ করে না হামাস।

ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়ে এখনো অচলাবস্থা রয়েছে। পরিকল্পনাটির আওতায় হামাসকে অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে এবং ইসরায়েলকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডের গাজাবিষয়ক দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ এই সপ্তাহে কায়রোতে মিসর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর আগে হামাস এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী তার উপস্থাপিত তথাকথিত রোডম্যাপ পরিকল্পনার বিষয়ে জানিয়েছিল নিজেদের প্রতিক্রিয়া।

সূত্রগুলো বুধবার রয়টার্সকে জানায়, ম্লাদেনভ হামাস ও অন্যান্য গোষ্ঠীর কাছে রোডম্যাপের একটি সংশোধিত সংস্করণ পাঠিয়েছেন। এতে তাদের কিছু উদ্বেগের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তবে ট্রাম্প পরিকল্পনার ‘মূল লাল রেখাগুলো’ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে এসব পরিবর্তনের বিস্তারিত জানানো হয়নি।

হামাসের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন যে দলিলটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

বর্তমানে গাজার ৬০ শতাংশের বেশি এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ধ্বংস করা হয়েছে অবশিষ্ট অনেক ভবনও।

প্রায় ২০ লাখ মানুষের পুরো জনসংখ্যার অধিকাংশই একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপকূলঘেঁষা ছোট একটি এলাকায় অবস্থান করছে, যেখানে হামাসের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। অস্থায়ী তাঁবু বা ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে বসবাস করছে তাদের বেশিরভাগই।

গাজা যুদ্ধইসরায়েলযুদ্ধবিরতি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise