Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের নিন্দা ফ্রান্স-জার্মানিসহ ৫ দেশের

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৩
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের নিন্দা ফ্রান্স-জার্মানিসহ ৫ দেশের

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি মালে আদুমিম। ছবি: সংগৃহীত

দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন প্রকল্পের নিন্দা জানিয়েছে দেশটির মিত্র পাঁচ দেশ। যৌথ বিবৃতিতে এই প্রকল্পকে অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যা দিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও কানাডা। খবর বিবিসির।

গত বছরের আগস্টে পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরায়েলি বসতি মালে আদুমিমের মধ্যবর্তী প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার জুড়ে ৩ হাজার ২৩৪টি আবাসনের অনুমোদন দেয়। গত বুধবার এর থেকে ১ হাজার ২৩৪টি আবাসন নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান জানিয়েছে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক আইনের ইসরায়লের এসব বসতি অবৈধ। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এই অঞ্চলটিতে বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছিল দখলদার দেশটি।

ইসরায়েলের অনেক মিত্র ও ফিলিস্তিনি নেতারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন, এই এলাকায় বসতি নির্মাণের উদ্যোগ, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনায় বড় ধরনের আঘাত হানবে। এর ফলে পশ্চিম তীর কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়তে পারে এবং বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে পূর্ব জেরুজালেম।

ইসরায়েলের মিত্র পাঁচ দেশের দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে এই পরিকল্পনা থেকে দ্রুত সরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরে যখন নজিরবিহীন মাত্রায় বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চলছে, পাশাপাশি ফিলিস্তিনি অর্থনীতির ওপর গুরুতর বিধিনিষেধ রয়েছে, তখন এই সিদ্ধান্ত উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে।

‘এই পরিকল্পনা শুধু আমাদের শান্তি থেকে আরও দূরে সরিয়ে দেবে না, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের অবস্থানকেও আরও দুর্বল করবে।’

বসতি স্থাপনের এই পরিকল্পনাকে একটি সংযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের জন্য ‘অস্তিত্বগত হুমকি’ বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। একই মন্তব্য করেছেন বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। এর আগে ইসরায়েলের এই পরিকল্পনার নিন্দা জানান ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডও।

বসতি স্থাপনের এই পরিকল্পনাটি প্রকাশের সময় ইসরায়েলের কট্টরপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ বলেছিলেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণা ‘মুছে ফেলা হচ্ছে’।

১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখলে নেওয়ার পর থেকে ইসরায়েল সেখানে প্রায় ১৬০টি বসতি গড়ে তুলেছে। এসব বসতিতে প্রায় ৭ লাখ ইসরায়েলি বসবাস করেন। আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও পরপর ইসরায়েলি সরকারগুলো বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে।

ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা নিয়ে ভবিষ্যতে একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি করে আসছে। এসব এলাকার পাশাপাশি পশ্চিম তীরে আনুমানিক ৩৩ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করেন।

মধ্যপ্রাচ্যযুক্তরাজ্যফ্রান্সজার্মানি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise