গবেষক
খামেনির জানাজা শিয়া ঐতিহ্যের প্রতীক

শনিবার ইরানের তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লা গ্র্যান্ড মসজিদে জড়ো হওয়া শোকাহত মানুষ—ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজার সময় নির্ধারণকে শিয়া সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত প্রতীকী বলে মন্তব্য করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোহাম্মদ এসলামী। আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন।
মোহাম্মদ এসলামী বললেন, ‘মহররমের প্রথম ১০ দিন শেষ হওয়ার পর জানাজাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিয়া মুসলমানদের কাছে এই সময়টি ইমাম হুসাইন (রা.)-এর শাহাদাতের স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।’
তার দাবি, জানাজার সময় নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস ৪ জুলাইকে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ইরানের লক্ষ্য ছিল না যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো বার্তা দেওয়া। বরং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা শিয়া অনুসারীদের উদ্দেশেই এই সময় নির্বাচন করা হয়েছে।
তার ভাষ্য, এই সময় নির্ধারণের মাধ্যমে একটি প্রতীকী বার্তা দিতে চায় ইরান। সেই বার্তা হলো, আলী খামেনির মৃত্যুকে শিয়া ইতিহাস ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা। বিশেষ করে এটি ইমাম হুসাইন (রা.)-এর শাহাদাতের স্মৃতির ধারাবাহিকতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা।
মোহাম্মদ এসলামী মনে করেন, শিয়া সম্প্রদায়ের কাছে মহররম মাসের প্রথম ১০ দিন গভীর ধর্মীয় ও আবেগঘন তাৎপর্য বহন করে। তাই ওই সময়ের পর জানাজার আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্বের শিয়া অনুসারীদের কাছে একটি শক্তিশালী প্রতীকী বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে এটি মোহাম্মদ এসলামীর ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ ও মন্তব্য। ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।




