অভিজিতের পর আটক নেহা বোরাও

দিল্লিতে আটকের পর বাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় নেহা বোরাকে। এ সময় স্লোগান দেন তিনি— রয়টার্স
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে শুক্রবার নয়াদিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। কর্মসূচি শুরুর আগেই তাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। এর এক ঘণ্টার মধ্যে ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাকেও আটক করা হয়।
দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেহা বোরার নেতৃত্বে জাতীয় পতাকা হাতে একটি মিছিল মান্ডি হাউস সার্কেল থেকে সেন্ট্রাল পার্কের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় তাকে আটক করে পুলিশ।
এর আগে, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। নির্ধারিত কর্মসূচিতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেপ্তার করা হয় দীপকে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘লহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লির কেন্দ্রস্থলে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জমায়েত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে অভিজিৎ দীপকের বাসভবনে গিয়ে তাকে সতর্ক করেছিল পুলিশ। অনুমতি ছাড়া জমায়েত করলে আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছিল।
এর পরেও তিরঙ্গা যাত্রার জন্য অভিজিৎ বাড়ি থেকে বেরোলেই প্রথমে পুলিশ তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু নিজের আন্দোলনে অনড় থাকার জন্য আটক করা হয় তাকে। অভিজিৎকে আটক করার পর ককরোচ দলের সমর্থকরা পুলিশের গাড়ির উপর উঠে স্লোগান দিতে থাকেন। প্রত্যেককেই আটক করেছে পুলিশ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভ করছেন ককরোচ জনতা পার্টির তরুণ সমর্থকরা।
তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে সুবিধা দিতে ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি মানুষের নাম বাদ দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার।




