Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ভারত

ভারতে লস্কর-ই-তৈয়বার ৮ সদস্য গ্রেপ্তার, ‘৭ জনই বাংলাদেশি’

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৪:১৬
ভারতে লস্কর-ই-তৈয়বার ৮ সদস্য গ্রেপ্তার, ‘৭ জনই বাংলাদেশি’

সংগৃহীত ছবি

কাশ্মীরের পেহেলগামে গত বছরের ২২ এপ্রিলের সন্ত্রাসী হামলার পর ফের আলোচনায় আসে পাকিস্তানি সশস্ত্র গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার নাম। হামলায় পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর পাশাপাশি এই গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়েছিল দেশটির জাতীয় তদন্ত সংস্থা- এনআইএ।

গত দুই মাসে দেশটির বিভিন্ন এলাকা থেকে লস্কর-ই-তৈয়বার একটি সেলের নেতাসহ আট সদস্যকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়া। পুলিশের বরাতে বলা হয়েছে, এর মধ্যে সাতজনই বাংলাদেশি, পাঁচজনের বাড়ি বগুড়ায়।

সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তৈয়বা গোষ্ঠীর একটি বাংলাদেশি মডিউলকে নির্মূল করেছে। নেটওয়ার্কের মূল পরিকল্পনাকারী শাব্বির আহমেদ লোনসহ আটজন হয়েছেন গ্রেপ্তার।

ভারতীয় পুলিশের দাবি, সেখানে বড় কোনো সন্ত্রাসী হামলার প্রস্তুতি ছিল চক্রটির, যা নস্যাৎ করা হয়েছে। 

গ্রেপ্তার শাব্বির আহমেদ এক সময় বাংলাদেশে লুকিয়ে ছিলেন বলে উল্লেখ আছে প্রতিবেদনে। অন্য সাতজন হলেন, বগুড়ার মিজানুর রহমান (৩২), জাহিদুল ইসলাম (৪০), মোহাম্মদ লিটন (৪০), মোহাম্মদ উজ্জ্বল (২৭) ও উমর ফারুক (৩২), ঝালকাঠির মো. শাফায়েত হোসাইন (৩৪) ও ঠাকুরগাঁওয়ের রবিউল ইসলাম (২৭)।

তারা লস্করের শাখা হিসেবে পরিচিত ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’- এর (টিআরএফ) দলনেতা ও সদস্য। যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা করা ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনের’ তালিকায় আগেই ছিল লস্কর-ই-তৈয়বার নাম। কাশ্মীরের হামলার ঘটনার পর তালিকায় ওঠে টিআরএফও।

দুই মাস ধরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ সীমান্ত, কলকাতা, দিল্লি এবং তামিলনাড়ু থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ভারতীয় পুলিশ। জব্দ হয় ১০টি মোবাইল ফোন, ২৫টি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, ৫টি পয়েন্ট অব সেল (পজ) মেশিন, বাংলাদেশি পাসপোর্ট এবং বেশ কিছু পোস্টার।

প্রতিবেদনের তথ্য, সবশেষ ২৯ মার্চ দিল্লির গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ‘দলনেতা’ শাব্বিরকে। তিনি কাশ্মীরের শ্রীনগরের বাসিন্দা। একে-৪৭ রাইফেল ও গ্রেনেডসহ তাকে ২০০৭ সালে একবার গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। জামিনে ছাড়া পান ২০১৮ সালে। এরপর থেকে পালিয়ে ছিলেন বাংলাদেশে। সেখান থেকে কোনো এক সময় নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন।

তিনি এবার গ্রেপ্তার হন বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে। ঢাকার কাছের একটি আস্তানা থেকে তিনি লস্করের একটি সেল পরিচালনা করছিলেন। পুলিশের বরাতে এসব তথ্য এসেছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে। 

খবরে বলা হয়েছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লির মেট্রো স্টেশনে সন্দেহভাজন কিছু পোস্টার দেখা যায়। সেগুলোতে ছিল পাকিস্তানপন্থি স্লোগান, কাশ্মীর নিয়ে উসকানিমূলক বার্তা। দিল্লির আরও কিছু জায়গায় এমন পোস্টার মেলে। সেই সূত্র ধরে অভিযানে নামে পুলিশ। একে একে গ্রেপ্তার হন আটজন।  

জিজ্ঞাসাবাদে উমর ফারুকের বরাতে পুলিশ জানায়, গত বছরের মার্চে শাব্বিরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ হয়। তিনি ফারুককে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ করেন। দেয়া হয় ভারতে লস্কর-ই-তৈয়বার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব। এই নেটওয়ার্কে আরও বাংলাদেশিদের যুক্ত করার নির্দেশও আসে। এক সহযোগীকে নিয়ে ফারুকই দিল্লিতে ওই পোস্টারগুলো লাগিয়েছিলেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলছে, বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতে অনুপ্রবেশ করিয়ে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার এবং সুবিধাজনক সময়ে বড় ধরনের হামলার জন্য ভারতে ‘স্লিপার সেল’ তৈরি করা ছিল শাব্বিরের লক্ষ্য।

দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য- পাকিস্তানে অবস্থানরত লস্কর-ই-তৈয়বার জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে শাব্বিরের সরাসরি যোগাযোগ হতো। তেহরিক-উল-মুজাহিদিন কমান্ডার আবু তালহা এবং ইউএপিএ আইনের অধীনে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী আসিফ দারের সঙ্গেও তার যোগাযোগ ছিল।

শাব্বিরকে এখন পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে দেশটির আদালত।

বাংলাদেশ-ভারতলস্কর-ই-তৈয়বাসন্ত্রাসবাদ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise